চট্টগ্রামের হালদা নদী পাড়ে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ বসত ঘর ভস্মীভূত হয়েছে।
২৬ শে জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাউজান উপজেলার ১২ নম্বর উরকিরচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগর পাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মেম্বারের পুরাতন বাড়িতে এই ভয়াবহ দূর্ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মাগরিবের নামাজের পর আগুন লাগলে ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসকে সংবাদ দেই। ফায়ার সার্ভিস আসার আগে স্থানীয়রা আগুন নিভাতে যার যা আছে তা নিয়ে (বলতি, কলসি) ঝাপিয়ে পড়ে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনে।পরে কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস এসে রাত সাড়ে ৭টার দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডে এলাকার মৃত জহিরের চার ছেলে আব্দুল শুক্কুর, মো. আমিন, ওমর ফারুক, মো. বাচা ও মৃত মো. সিরাজের ছেলে বাহাদুরের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে তাদের আসবাবপত্র, জমির দলিল, নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ভস্মীভূত হয়ে যায়।
পার্শ্ববর্তী ৪নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কাউছার আলম বলেন, বাহাদুরের রান্না ঘরের উনুন হতে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে পরনের কাপড় ছাড়া কোন কিছুই বের করা সম্ভব হয় নি। হালদা নদী পাড়ে হওয়ায় পানির সমস্যা হয় নি। তাই ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এতে করে ৩০টি বসত ঘর আগুনের ভয়াবহতা হতে রক্ষা পায়।
কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. বাহার উদ্দিন বলেন, অগ্নিকাণ্ডে একই সারিতে সেমি পাকা পাঁচ পরিবারের বসত ঘর পুড়ে যায়। এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল জব্বার সোহেল বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর পক্ষ হতে নগদ অর্থ, চাল ও শীতবস্ত্র প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে সরকারের পক্ষ হতে অন্যান্য সহযোগিতা দেওয়া হবে।

