বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস-নৈরাজ্যর প্রতিবাদে রাজপথে অবস্থান নিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
এসময় নানক বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের নামে বিএনপি-জামায়াত যদি মানুষের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করে তাহলে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এজন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র মতে, বিএনপিসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন দল ও জোটের আজকের গণমিছিলের বিপরীতে সতর্ক অবস্থানে থাকবে আওয়ামী লীগ। বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষমতাসীনরা অবস্থান করবেন। সেগুলো হলো- যাত্রাবাড়ী মোড়, ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, শ্যামলী ও মিরপুর-১০। এছাড়া রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ডে নেতা-কর্মীদের সতর্ক অবস্থানে থাকার নিদের্শ দেয়া হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিএনপির পূর্বঘোষিত গণমিছিলের সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সতর্ক পাহারায় থাকবেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
উল্লেখ্য, সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগের ঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবারা ঢাকা ও রংপুরে গণমিছিল কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন থেকে এ গণমিছিল কর্মসূচি শুরু করবে বিএনপি। মিছিলটি কাকরাইল মোড়, শান্তিনগর, মালিবাগ মোড় হয়ে মগবাজার চৌরাস্তা গিয়ে মিছিলটি শেষ হবে।
এতে রাজধানীর ১৩টি স্থান থেকে বিএনপিসহ এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যোগ দেবেন। এদিন একই সঙ্গে বিএনপিসহ ৩৩টি রাজনৈতিক দল ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে গণমিছিল করার কথা রয়েছে।
এরআগে সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার গঠন করাসহ ১০ দফা দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর এই গণমিছিল কর্মসূচি দেয় বিএনপি। কিন্তু একই তারিখে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল পড়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপির এই গণমিছিলের তারিখ পরির্বতনে আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদেরের আহ্বানে কর্মসূচির তারিখ পরিবর্তন করে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করে বিএনপি।

