প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের কারণে বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞার ফলে পুরো বিশ্বের অবস্থাই খারাপ। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেগ পেতে হচ্ছে। এ অবস্থা আর বেশিদিন থাকবে না। প্রত্যেককে সঞ্চয়ের প্রতি নজর দিতে হবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় যেন কারো এক ইঞ্চি জমি খালি পড়ে না থাকে সেদিকেও আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
শনিবার (৫ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৫১তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন সরকার প্রধান।
তিনি বলেন, যুদ্ধ ও করোনার কারণে সারা বিশ্বে প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। তার ধাক্কাটা আমাদের দেশেও পড়েছে। মূল্যস্ফীতির পর সব দেশ আজ হিমশিম খাচ্ছে। প্রত্যেকের রিজার্ভ ব্যবহার করে চলতে হচ্ছে। আমাদেরও করতে হচ্ছে সেটা দেশের মানুষের জন্য। তাই আমাদের সবাইকে মিতব্যয়ী হতে হবে। আমাদের যুব সমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে। তারা এগিয়ে এসে যদি সমবায়ের মাধ্যমে কার্যক্রম করতে পারে তাহলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারব।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে সারাবিশ্বে খাদ্যাভাব, জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। সেক্ষেত্রে আমাদের আরও উৎপাদন বাড়াতে হবে এবং সঞ্চয় করতে হবে। যাতে করে এই অভিঘাত থেকে মানুষ রক্ষা পায় সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণ করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। কিন্তু আমাদের উন্নয়ন করতে গেলে সমবায়কে গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি; কিন্তু প্রতিটি মানুষের একটা চিন্তা থাকতে হবে নিজের জীবন-জীবিকা উন্নত করা।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা যাতে কোনোমতেই ব্যহত না হয়, দুর্বার গতি ধরে রেখেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সমবায়ের মাধ্যমেই দেশ অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, আমরা বিনা পয়সায় সবাইকে কোভিডের টিকা দিয়েছি রিজার্ভ ব্যবহার করে। যাতে সবাই সুস্থ থাকে। মানুষের কল্যাণই আমাদের লক্ষ্য।
ইউডি

