জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখনো জানা যায়নি এর প্রকৃত কারণ। আবার জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পর থেকে গত কয়েকদিন ধরে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও বেড়ে গেছে। এতে করে উৎপাদন খাত সহ বিদ্যুৎ নির্ভর সকল প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা,সেবা খাতসহ সংশ্লিষ্ট সেক্টরে নানামুখী সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ গঠিত তদন্ত কমিটি বলছে, ২০১৪ সালের গ্রিড বিপর্যয়ের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং তার আলোকে ভবিষ্যতে সুরক্ষা নিশ্চিতের বিষয়ে পদক্ষেপগুলোর বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।
গ্রিড বিপর্যয়ের সম্ভাব্য কারণ খুঁজে বের করতে বিদ্যুৎ বিভাগ গঠিত কমিটি শনিবার প্রথম বৈঠকে বসে। প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক বলেন, ভবিষ্যতে যেনো এমন বিপর্যয় আর না হয়, সেজন্য তদন্ত করে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।
গত ৪ অক্টোবর দুপুর ২টা ০৪ মিনিট থেকে জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন গ্রিড বিপর্যয় হওয়ায় দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলা ছাড়া সারাদেশে ব্ল্যাকআউট সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই সারা দেশে শুরু হয়েছে বিদ্যুতের আসা-যাওয়া। বিদ্যুতের লোড ব্যবস্থাপনা এবং গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি ঠিক রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। শুক্রবার চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের উৎপাদন কম থাকায় ৯৫৪ মেগাওয়াট ঘাটতি মেটাতে লোডশেড করতে হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয়ের সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর। সে সময় সারাদেশ ১৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন ছিল।
ইউডি

