সীতাকুন্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক চলছে।
আজ ১২ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের উপস্থিতিতে এই বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে জননিরাপত্তা বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, ভূমি মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, সুরক্ষা সেবা বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ এর সিনিয়র সচিব সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশ, র্যাব, আনসার ও গ্রাম রক্ষা বাহিনীর প্রধানগণ চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও সিডিএ চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত আছেন।
১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মহিবুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিটি আমন্ত্রিত স্ব স্ব সংস্থা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
সলিমপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কর্তৃক উদ্ধার অবৈধভাবে দখল প্রায় ৩১০০ একর জমি, এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশের ভারসাম্য ও পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের উদ্ধার হওয়া ৩১০০ একর খাস জমির বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে। সেজন্যই পাহাড় ও বন রক্ষা করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য আনয়ন এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে পুনরায় কীভাবে জঙ্গল সলিমপুর এলাকাকে সবুজায়নের মাধ্যমে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বেহাত হওয়া খাস জমি ভূমিদস্যুরা সাধারণ মানুষের কাছে প্লট অনুযায়ী দখলস্বত্ব বিক্রয় করে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে এবং কয়েকজন কারাগারেও আছেন।
উল্লেখ্য, একসময় জঙ্গল সলিমপুর চট্টগ্রামের এক বিচ্ছিন্ন এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটিতে অনেক পাহাড় রয়েছে। ভূমি দস্যূ ও সন্ত্রাসীদের একটি চক্র পাহাড় কেটে প্লট, বসতি স্থাপন, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগসহ একটি সম্পূর্ণ আবাসিক এলাকা বানিয়ে তুলে ভাড়া বানিজ্য চালিয়ে আসছিল।
ইউডি

