পাওনা টাকা চাওয়ায় কর্মীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে হিরো আলমের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে গত শুক্রবার (৫ আগস্ট) গাজীপুরের শ্রীপুর থানায় হিরো আলমের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন রুবেল মুন্সী নামে ভুক্তভোগী এক যুবক। জিডিতে হিরো আলম ছাড়াও মো. লিমন এবং মো. শুভ নামে আরও দুজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান শনিবার (৬ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমকে জানান, হিরো আলমের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তদন্তের পর সত্যতা পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জিডিতে বলা হয়েছে, হিরো আলমের প্রতিষ্ঠানে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন রুবেল। এ বেতন না তুলে তিনি হিরো আলমের কাছেই জমা রাখতেন। সাত মাসের বেতন এবং ধারের ২০ হাজার টাকাসহ মোট ৯০ হাজার টাকা চাওয়ার পর দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপণ করেন হিরো আলম।
গত বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) হিরো আলম তার বর্তমান কর্মস্থলের সামনে এসে তাকে জোর করে প্রাইভেটকারে তোলেন। এসময় হিরো আলম ও তার সঙ্গীরা তার কাছ থেকে ল্যাপটপ ছিনিয়ে নিয়ে জিমেইল ও ফেসবুক আইডি হ্যাক করে নিয়ে রাত ৩টার দিকে ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিলে তার জানমালের ক্ষতি করবেন বলেও হুমকি দেন হিরো আলম।
এ বিষয়ে হিরো আলম গণমাধ্যমকে জানান, রুবেল আমার অফিসে কখনোই চাকরি করতো না। তবে মাঝে মাঝে আসতো। ইউটিউব সম্পর্কে ভালো বুঝত বলে তাকে বিশ্বাস করে আমার ৫টি ইউটিউব চ্যানেলের পাসওয়ার্ড দেই। অনেকদিন সে আমার চ্যানেলগুলো নিয়ে কোন কাজ না করায় আমি তার কাছ থেকে চ্যানেল ফেরত চাই। ৩টি চ্যানেল ফেরত দিলেও বাকি দুটি আজ দেবো কাল দেবো করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।

