পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে অস্থায়ী পশুর হাট বসাতে এখনো অনুমতি পায়নি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। গত ১৭ মে পশুর হাট বসানোর অনুমোদন চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দেয় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। ২৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে হাট বসানোর অনুমতি পাওয়া যায়নি।
তবে সেই চিঠি চালাচালির যদিও গত ২৬ মে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পশুর হাট বসানোর ব্যাপারে মতামত জানানোর জন্য নগর পুলিশের কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু নগর পুলিশের সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ঝুলে আছে অস্থায়ী পশুর হাট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রশাসন থেকে অনুমোদন না পাওয়ায় পশুর হাট ইজারা দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারছেন না সংস্থাটি।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, পশুর হাটের চাহিদা বেড়েছে আগের চেয়ে বেশি। স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের চাহিদার ভিত্তিতে অস্থায়ী ১০টি পশুর হাট বসানোর অনুমতি চেয়ে জেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করা হয়েছে। অস্থায়ী ১০টির মধ্যে কয়টির অনুমোদন পাওয়া যায় তার উপর নির্ভর করছে এবারের পশুর হাট।
কর্ণফুলী গরুবাজার (নূর নগর হাউজিং এস্টেট), সল্টগোলা রেলক্রসিং-সংলগ্ন, স্টিলমিল বাজার, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (কাঠগড়), ৪১ নম্বর ওর্য়াডের বাটারফ্লাই পার্কের দক্ষিণে টি কে গ্রুপের খালি মাঠ, ৩৮ নম্বর ওর্য়াড ধুমপাড়া আউটার রিং রোডের পূর্ব পাশে খালি জায়গার মাঠ, চৌধুরীহাট রেলস্টেশন বাজার, আমানবাজার ওয়াসা মাঠ, মাদারবাড়ী রেলক্রসিং সংলগ্ন বালুর মাঠ ও কালুরঘাট সেতুর উত্তর পাশের মাঠ অস্থায়ী পশুর হাট বসাতে চায় চসিক।

