ভারতের ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে সহিংসতায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো ২০ জন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের পরে হাসপাতালে নিয়ে আসা দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। আহতদের মধ্যে ১০জন পুলিশও রয়েছে। আহত তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
শুক্রবার পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের পর ঝাড়খণ্ডের রাজধানীর বেশ কয়েকটি অংশে কারফিউ জারি করা হয়। মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের জেরে বিজেপির বরখাস্তকৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে গ্রেফতারের দাবিতে এই বিক্ষোভকারী শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা ঢিল ছুড়তে শুরু করলে জনতা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শূন্যে গুলি চালায় এবং লাঠিচার্জ করে।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে শহরের অনেক দোকানপাটও বন্ধ ছিল।
এদিকে, বিজেপির বরখাস্তকৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মা এবং দিল্লির গণমাধ্যম শাখার বহিষ্কার হওয়া প্রধান নবীন কুমার জিন্দালের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ।
পাশাপাশি পিস পার্টির প্রধান মুখপাত্র শাদাব চৌহান, সাংবাদিক সাবা নাকভি, হিন্দু মহাসভার অফিসকর্মী পূজা শকুন পান্ডে, রাজস্থানের মাওলানা মুফতি নাদিম, আবদুর রহমান, অনিল কুমার মীনা, গুলজার আনসারি, অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুলের (এআইএমএম) প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াসির নামও নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘৃণামূলক বক্তৃতা, উসকানি, শান্তি-সম্প্রীতি বিঘ্নিত করে এমন পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ দুটি মামলা করেছে বলে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

