হাওরপাড়ের এক সংগ্রামী সন্তান, সহমর্মী নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে পরিচিত মাহবুব রহমান। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর পদচারণা দীর্ঘদিনের—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির( সাবেক) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের (সাবেক) সদস্য, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জামালগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ শাখার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে।
জন্ম ও বেড়ে ওঠা জামালগঞ্জ উপজেলার সেলিমগঞ্জ হাওরপাড়ে—প্রকৃতির কাছে বেড়ে ওঠা এ মানুষটি হাওরের দুঃখ-দুর্দশা, মানুষের না বলা গল্প, উন্নয়ন বঞ্চনার ইতিহাস খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাই রাজনীতি তাঁর কাছে ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজ-সরল মেলবন্ধন, সবার কথা মন দিয়ে শোনা এবং সহানুভূতির সাথে পাশে দাঁড়ানো—এই গুণগুলিই মাহবুব রহমানকে হাওরবাসীর কাছে একজন বিশ্বাসযোগ্য নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছে।
দলীয়ভাবে তিনি সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর-জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা- মধ্যনগর) আসন থেকে জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নের প্রত্যাশী।
স্থামীয় জনগণের কাছ থেকে জানাযায়, মাহবুব রহমান একজন পরিশ্রমী, সৎ ও সৃজনশীল নেতা, যিনি হাওরের সন্তান হয়ে হাওরের মাটিতেই স্বপ্ন বুনছেন উন্নয়নের।
এক প্রশ্নের জবাবে,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির (সাবেক) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো.মাহবুবুর রহমান তিনি বলেন,পিআর পদ্ধতিতে ভোটাররা নিজের নির্বাচনী আসনে কে সংসদ সদস্য হচ্ছেন,তা ভোটের আগে জানতে পারবে না। ভোট শেষ হওয়ার পর জানা যাবে কোন দল থেকে কে এমপি হচ্ছেন।এতে ভোটার অধিকার ও জনগণের মতামতের প্রতি অবজ্ঞা দেখানো হবে।
