পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী ( দ:) উপলক্ষে আওলাদে রাসূল, রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)’র প্রতিষ্ঠিত ও শাহান জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট পরিচালিত মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী’র উদ্দ্যোগে জশনে জুলুসে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দঃ) পালিত হয়েছে।
৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টায় এক জশনে জুলুস মাদ্রাসা ময়দান হতে আরম্ভ হয়ে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের মাজারসমূহ জেয়ারত ও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাদ্রাসা ময়দানে এসে জমায়েত হন। বেলা ১১টায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাওলানা মুহাম্মদ আবুল কাছেম’র সভাপতিত্বে পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দঃ) স্মারক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাওলানা মুহাম্মদ মুজিবুল হক ও মাওলানা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাইজভাণ্ডার শাহী জামে মসজিদের সাবেক খতিব মাওলানা নুরুল ইসলাম ফোরকানী, অত্র মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন, উম্মুল আশেকীন মুনাওয়ারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক সদস্য জনাব মুহাম্মদ ইয়াকুব, প্রভাষক মাওলানা রফিক উদ্দিন, মাওলানা জাহেদ উদ্দিন, মাওলানা তাকরিম উদ্দিন, মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, মাওলানা কাইসার উদ্দিন, মাওলানা ওয়াহিদ রেজা, মাওলানা রাশেদ আলি প্রমুখ। বক্তারা বলেন, রাহমাতুল্লিল আলামিন নবী (দঃ)-এর আগমনে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের মাধ্যমে বিশ্বশান্তির বীজ বপন করা হয়। রাসূলে পাক (দঃ)-এর আধ্যাত্মিক ও জাগতিক নীতির মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয়, রাষ্ট্রীয় জীবন, বস্ত্র, বাসস্থান এবং নারীর অধিকার বাস্তবায়ন সমগ্র বিশ্বে সম্ভব হয়েছে।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মোঃ রাশেদুল করিম,সবুজ চন্দ্র, নুরুল করিম চৌধুরী,শফিউল আজম চৌধুরী, উম্মুল ওয়ারা,মুহাম্মদ রবিউল হোসেন, মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, মুহাম্মদ জাকারিয়া আলম, মাওলানা মুহাম্মদ এমদাদ হোসেন, মাওলানা মুহাম্মদ দিদারুল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন, ক্বারী মোহাম্মদ ফোরকান, জোবাইদা বেগম,জোবাইদুন্নাহার,রাবেয়া সোলতানা,আকলিমা আকতার, হাফেজ মুহাম্মদ এমরান প্রমুখ। সকাল ৮ ঘটিকায় পবিত্র কুরআন খতম এবং মিলাদ কিয়ামের মাধ্যমে পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দঃ) -এর কার্যক্রম শুরু হয়। পরিশেষে আখেরী মোনাজাত ও তাবাররুক বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
