চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পুকুর থেকে মোহাম্মদ এনাম (৫০)নামে একব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড়ের দিঘির পাড় এলাকার বি এ সুলতান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত এনাম উক্ত এলাকার দেলাওয়ার হোসেনের পুত্র।
জানা গেছে, সকাল থেকে নিহত এনামকে পাওয়া যাচ্ছে না। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায় এলাকাবাসী ঘরের সামনের পুকুর থেকে এনামের মরদেহ দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে। এলাকাবাসী ধারনা করছেন নিহতের ছেলে পিতাকে মেরে পুকুরে ফেলে দিয়েছে। তাঁর ছেলে মোবারকের কথাবার্তায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। কেননা এর আগেও মোবারক তার বাবাকে একাধিকবার মারধর করেছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোবারককে আটক রেখেছে এলাকাবাসী। ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা এখনো ঘটনাস্থলে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত ছেলে মোবারককে এলাকাবাসীর সহায়তায় আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে নিহতের স্ত্রী, কন্যা ও নিহতের শ্যালককে। এনামের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নে পুকুরের পানিতে ডুবে আরহাম নামের বিশ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৮ জুলাই সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সে দক্ষিণ পাইন্দং হাজ্বী তোফায়েল আহমেদ সুফির বাড়ির মোঃ ফোরকান উদ্দিনের পুত্র। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, সকালে সবার অগোচরে আরহাম বাড়ির উঠান থেকে হাঁটতে হাঁটতে পুকুরে পড়ে যায়। পরে শিশুটির মা সহ বাড়ির লোকজন তাকে না পেয়ে আশপাশে খোঁজ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে পুকুরের পানিতে আরহামের মরদেহ ভেষে থাকতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক শিশু আরহামকে মৃত ঘোষণা করেন। পাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এ কে এম সরওয়ার হোসেন জানান, ‘শিশুটি খেলার চলে হাঁটতে গিয়ে পুকুরে পড়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই শিশুটি মারা যায়। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
