ফটিকছড়িতে কোরবানি পশু হিসেবে গরু ছাগলের পাশাপাশি মহিষের চাহিদা বাড়ছে।ক্রেতাদের চাহিদাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন হাটবাজার ও খামারে মহিষ পাওয়া যাচ্ছে। সরেজমিন উপজেলার নাজিরহাট, বিবিরহাট, নানুপুর, কাজীরহাট চিকনছড়া শান্তির হাটসহ বিভিন্ন হাটবাজারে দেখা যায়, বেপারি ও খামারিরা গরুর পাশাপাশি মহিষও বিক্রি করছে। গরুর পাশাপাশি মহিষও চোখে পরার মত। এ ছাড়া বিভিন্ন খামারেও মহিষ লালন পালন এবং বিক্রি করার জন্য নিয়ে এসেছে খামারিরা। উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের তথ্য মতে, এবছর ৪ হাজার ১১২টি মহিষ প্রস্তুত রয়েছে কোরবানির জন্য। নাজিরহাট বাজারে মহিষ কিনতে আসা প্রবাসী মোহাম্মদ হেলাল বলেন আমার মায়ের পছন্দ মহিষ।
বিগত কয়েক বছর ধরে আমরা মহিষ দিয়ে কোরবানি করে আসছি। এবছরও মহিষ দিয়ে করব। তাই বাজার দেখতে এসেছি। খামারে মহিষ কিনতে আসা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী নেওয়াজ বলেন,এ বছর মহিষ দিয়ে কোরবানি করার ইচ্ছে আছে তাই মহিষ দেখতে এলাম।দরদামে মিললে কিনে নেব। নাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী বলেন, কোরবানি দেওয়ার জন্য দুটো মহিষ নিয়েছি। ব্যবসায়ী মোঃ আকরাম,মাষ্টার মোহম্মদ আলী,মোহাম্মদ রুবেল,মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বলেন কোরবানি দেওয়ার জন্য মহিষের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আমাদের জানা শুনা অনেকই কোরবানি জন্য মহিষ নিচ্ছেন। বিক্রেতা হাকিম বলেন গরুর পাশাপাশি মহিষ দিয়েও মানুষ এখন কোরবানি করে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা মহিষ নিয়ে আসছি খামারে। খানঁ ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মাহবুব আলম খানঁ বলেন, গরু পাশাপাশি আমাদের খামারে মহিষও রয়েছে। এখন অনেকই কোরবানি দেওয়ার জন্য মহিষ নিচ্ছেন। এদিকে গরুর চেয়ে মহিষের দাম বেশি বলেন জানান ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলেন মহিষ গুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে আনতে হয়।খরচ বেশি পড়ে তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। উল্লেখ্য যে,উপজেলার অন্যতম আধ্যাত্বিক কেন্দ্র মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফসহ বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য অলিয়ে ক্বেরামের মাজার রয়েছে। অলিয়ে ক্বেরামের ওরশ শরিফে মহিষের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। সে সুবাদে ফটিকছড়িতে গড়ে উঠেছে অনেক খামার।এসব খামারে সারা বছর মহিষ পাওয়া যায়।

