‘‘বাংলা সংগীতের গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস আর সমৃদ্ধ এক ভান্ডার রয়েছে। আর কোন দেশের সংগীত এতগুলো শাখা প্রশাখায় বিস্তৃত নয়। সুরকাব্য সাধনায় ছন্দানন্দের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো।’’
গত ২২ ফেব্রুয়ারি, শনিবার চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ছন্দানন্দ সাংস্কৃতিক পরিষদ এর ১৯তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘আমরা ঊনিশে জয়ধ্বনি শুনি’ শীর্ষক সংগীত ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আলোচকরা এসব কথা বলেন।
ছন্দানন্দ সাংস্কৃতিক পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সংগীতজ্ঞ নন্দ দুলাল গোস্বামীর সভাপতিত্বে ও সংগীতশিল্পী পুষ্পিতা বৈদ্য’র সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন গল্পকার আহমেদ মনসুর ও কবি ও অধ্যাপক রঞ্জন বণিক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ছন্দানন্দ সাংস্কৃতিক পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক সংগীতশিল্পী দেবমিতা নন্দী। আলোচনা শেষে অতিথিরা সংগীত প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন গ্রেডে বিজয়ীদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন। সংগীত শিল্পী ভূমিকা ও লাবনী’র সঞ্চালনায় সংগীত আয়োজনে গান ও খেয়াল পরিবেশন করেন অদ্রিজা, অনুষ্কা, হৃদি, অধরা, সৃষ্টি, মিথিলা, ঋদ্ধিকা, নির্ময়, অবন্তিকা, মৃন্ময়, রাজর্ষি, তৃষ্ণা, নবরূপা, রাজ, স্নেহা, পূজা, ইন্দ্ররাজ, সায়নী, আদ্রিতা, মৈত্রী, বিজয়, ঋতু, শ্রেষ্ঠা, রিচি, তুর্য, মালিহা, দেবনিলা, কৌশিক, সুদীপা, জিসান, বন্যা, মৌহিতা, আরাধ্য, ঐন্দ্রিলা, অংকিতা, জয়িতা, অর্পিতা, নিধি, নবনীতা, ইরা, পুষ্পিতা, প্রিয়ন্তি, রিতী, রাইসা, ওষ্মী, স্বস্তিকা, নিশি, দেবশ্রী, রিংকি, ভূমিকা, প্রিয়ংকা, পুষ্পিতা, উপমা, প্রজ্ঞা লাবনী, ইপা ও দেবমিতা। যন্ত্রসংগীতে সংগত করেন। তবলায় নবীন বড়ুয়া ও অর্পন দাস। হারমোনিয়ামে উপমা বড়ুয়া। কী-বোর্ডে দেবমিতা নন্দী। অক্টোপেডে অভিষেক দাস ও বেইস গিটারে সুমন।

