আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আনোয়ারা আলম বলেন, নারীরা জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বাধীন ও মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হলে সবচেয়ে লাভবান হবে দেশ। নারীকে ক্ষমতায়িত করা একদিনে সম্ভব নয়। সমাজে ছড়িয়ে থাকা কুসংস্কার ও নানা ধ্যান-ধারণা প্রতিহত না করা গেলে নারীর প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে না। নানীরা অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে, তবু সমাজে নারীর অবস্থান এখনো সৃষ্টি হয়নি। নারীর যোগ্য মূল্যায়ন করা হয় না কোথাও। তিনি বলেন, অনেক পরিবারে নারীরা আজও অবহেলিত। কন্যা শিশু জন্মবার পর থেকে শুরু হয় তার ওপর বৈষম্যমূলক আচরণ। পরিবারে নারীর প্রতি এরূপ বৈষম্য সৃষ্টি হলে ঘরের বাইরে নারীর প্রকৃত সম্মান আনয়ন করা কষ্টসাধ্য। ফলে নারীর প্রতি সম্মান সৃষ্টি করতে হবে পরিবার থেকে। নারী পুরুষের সমতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
ড. আনোয়ারা আলম গত ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুরনাহার মিলনায়তনে পাঠকের মুখোমুখি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন।
দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক কবি রাশেদ রউফের পরিচালনায় আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. সেলিনা আখতার, চট্টগ্রাম চারুকলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর রীতা দত্ত, প্রফেসর ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী, ড. সেলিম জাহাঙ্গীর, প্রাবন্ধিক মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান, একাডেমির পরিচালক এস এম আবদুল আজিজ, কবি জসিম উদ্দিন খান, সংগীতশিল্পী ইকবাল হায়দার, ছড়াশিল্পী উৎপলকান্তি বড়ুয়া, অধ্যাপক পিংকু দাশ, কবি জি এম জহির উদ্দীন, এডভোকেট রেহানা বেগম রানু, গল্পকার শিউলী নাথ, কবি লিপি বড়ুয়া, কবি তানজিনা রাহী, প্রাবন্ধিক নুসরাত সুলতানা, মুহাম্মদ মহসীন চৌধুরী, কথাসাহিত্যিক ফারহানা ইসলাম রুহী, সৈয়দা সেলিমা আক্তার, মর্জিনা আখতার, আসিফ ইকবাল, ঊর্মি বড়ুয়া, গৌতম কানুনগো, নাসিমা শওকত, সঞ্চিতা তালুকদার, যেবা সামিহা, বনানী শেখর রুদ্র, শবনম ফেরদৌসী, নুরনাহার নিপা প্রমুখ। এছাড়াও ছিলেন একাডেমির মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর মিঞা, সাবেক মহাপরিচালক প্রাবন্ধিক নেছার আহমদ, পরিচালক কথাসাহিত্যিক দীপক বড়ুয়া, অধ্যাপক বাসুদেব খাস্তগীর। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পাঠকের মুখোমুখি অনুষ্ঠানে ড. আনোয়ারা আলম
নারী পুরুষের সমতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে একসঙ্গে কাজ করতে হবে
অনলাইন ডেস্ক

