চট্টগ্রাম নগরীর সিনেমা প্যালেস সংলগ্ন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয় ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে ২২তম কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে পৃথকভাবে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপ-পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোঃ সাখাওয়াত উল্ল্যাহ।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী দিবসের সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ফৌজদারহাটস্থ বক্ষব্যাধি হাসপাতালের চিকিৎসা তত্ত¡াবধায়ক ডা.এস.এম নুরুল করিম ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসি ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. সুমন বড়–য়া। বক্তব্য রাখেন বন্দর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ জাবেদ। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মরত চিকিৎসক-নার্স ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ২২তম কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোঃ সাখাওয়াত উল্ল্যাহ। জেলা স্বাস্থ্য তত্ত¡াবধায়ক সুজন বড়–য়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওডিসি ডা. মোহাম্মদ নুরুল হায়দার। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. মোঃ ওয়াজেদ চৌধুরী অভি।
পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক সরকার ও জনগণের সম্মিলিত অংশীদারিত্বমূলক একটি কার্যক্রম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রান্তিক ও অন্যান্য তৃণমূল জনগোষ্ঠীর কাঙ্খিত মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করতে বর্তমানে ১৪ হাজার ১৮৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। এসব ক্লিনিক থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪ লাখ মানুষ সেবা নিচ্ছে। ফলে সরাসরি উপকৃত হচ্ছে দেশের গ্রামাঞ্চলের জনগণের বিশাল একটি অংশ। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কমিউনিটি ক্লিনিক এক যুগান্তকারী মডেল।
কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীরা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, টিকা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং পরামর্শ পরিসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে স্বল্প ও মধ্য আয়ের মানুষের মধ্যে সফলভাবে কাজ করছে কমিউনিটি ক্লিনিক। শেখ হাসিনার অবদান কমিউনিটি ক্লিনিক বাচাঁয় প্রাণ।

