তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালুরঘাট ফেরিঘাটে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ফেরির দায়িত্বে থাকা মো. শাকিল (২৫) ও মো. সরোয়ার (২৭) আহত হয়। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
আজ (১০ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার বিকেলে কালুরঘাট ফেরিঘাটের পশ্চিম দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, জহুরা বেগম নামের এক মহিলা কালুরঘাটের পূর্ব দিক থেকে ফেরিযোগে পশ্চিম দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় মহিলাটি ফেরির সম্মুখে ছিলেন। পশ্চিম দিকে ফেরি ঘাটে আসলে মহিলাটিকে সতর্ক করে সরে যেতে বলেন সরোয়ার নামের ফেরির দায়িত্বে থাকা এক কর্মচারি। এতে মহিলাটি ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়াবাড়ি করেন। বাড়াবাড়ির এক পর্যায়ে একে অপরকে জুতা দিয়ে মারামারি করতে থাকেন। পরে মহিলাটিকে পশ্চিম দিকের ফেরিঘাটের অফিসের একটি রুমে বসতে বলেন এবং তার স্বামীকে আসতে বলেন।
জহুরা বেগম বলেন আমি আমার মেয়ে মিমফা মুফিজ সুমাইয়াকে নিয়ে ফেরিযোগে পার হওয়ার সময় সে ফেরিতে ছবি তুলে। এসময় সরোয়ার এসে মেয়েকে থাপ্পর দেয় এবং ছবি তুলতে নিষেধ করে। এ কাজে সহযোগিতা করেন ফেরির দায়িত্বে থাকা আরেক কর্মচারি মো.শাকিল। এদের কর্মকান্ড দেখে আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার গায়ে হাত তোলে। বিষয়টি আমি আমার স্বামী মো. মুফিজ ও আমার ছেলে মকসুদুল মুমিন জিসানকে জানালে তারা ফেরিঘাটে আসলে আমার ছেলের সাথে সরোয়ার ও জিসানের হাতাহাতির এক পর্যায়ে মারামারি হয়। এসময় তারা আমার স্বামীসহ অন্য একজনের মোটর সাইকেল ভাংচুর করে।
ঘটনার এক পর্যায়ে কিছু বিক্ষুব্ধ লোক টোল অফিসে হামলা চালিয়ে জিনিসপত্র ভাংচুর করেছে।
টোল অফিস কর্মকর্তা আব্দুল শুক্কুর বলেন, ফেরিতে কি হয়েছে আমরা জানি না পরে দেখছি কিছু লোক আমাদের অফিসে হামলা চালিয়ে জিনিসপত্র ভাংচুর নগদ পনের লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ফেরি কর্তৃপক্ষ বলেন মহিলাটির ছেলে এসে কাঠের একটি বাঠাম দিয়ে সরোয়ারকে আঘাত করলে সাথে সাথে রক্ত বের হয়। এসময় সে শাকিলকেও আঘাত করে। পরে তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
চান্দগাঁও থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আলম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

