বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিন্তা দুশ্চিন্তায় জনগণ

মাহমুদুল হক আনসারী
- Advertisement -
Single page 1st Paragraph

বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে। কোন দিকে যাবে। দেশের কি ভবিষ্যৎ। জনগনের কি ভবিষ্যৎ , নানা প্রশ্নে ঘোরপাক খাচ্ছে জনগণ। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে। সরকার প্রধান দেশ ত্যাগ করেছে।বৈষম্য বিরোধি ছাত্র আন্দোলনের দীর্ঘ সময়ের আন্দোলনের চাপে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেছে। এই ছাত্র আন্দোলনে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। বাংলাদেশের সরকার বিরোধি সব গুলো দল এই ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন যুগিয়েছে। ফলে ১৬ বছরের টানা প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। রক্তক্ষয়ী নিরস্ত্র ছাত্র আন্দোলন কোটা আন্দোলনের দাবি থেকে একদফা শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের দাবি আদায় করে নিতে সক্ষম হয়েছে। নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনূসকে অন্তরবর্তী সরকারের প্রধান করেন একটি সরকার গঠিত হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলির দপ্তর বন্টন হয়েছে।
সারাদেশে নৈরাজ্য, ভাংচুর , হামলা , জ¦ালাও – পোড়াও হয়েছে। ডাকাতি, হাইজ্যাক , হত্যা , লুন্টন করে রাষ্ট্র ও জনগণের সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। পুলিশ বাহিনি কর্মস্থল থেকে বিরত ছিল। তাদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কয়েকদফা দাবি তুলে ধরেছে। নতুন সরকার এসে তাদেরকে কাজে ফেরানোর চেষ্টা করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশ বাহিনি ছাড়া একটি দেশ টিকে থাকতে পারে না। তাদের উপর জনগণের দীর্ঘ দিনের ক্ষোভের ফলে রাষ্ট্রের থানা ও পুলিশ স্টেশন সমূহ ব্যাপক ভাবে ধ্বংস করেছে দুস্কৃতকারিরা।পুলিশ বাহিনির কর্মস্থলে অনুপস্থিতির সুযোগে সুযোগ সন্ধানি চক্র লুটপাট থেকে ডাকাতি পর্যন্ত করেছে। নিরীহ জনগণের সম্পদ বাড়ি ঘর ধ্বংস করেছে। দেশ ও জনগণের যে পরিমাণ সম্পদ লুন্টন ও ধ্বংস হয়েছে সেটির হিসেব হাজার হাজার কোটি টাকা হবে। এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরণের একটি ক্ষত তৈরি করেছে। বৈষম্য, হিংসা , প্রতিহিংসা আ্েরা বৃদ্ধি করেছে। র

ক্তপাতবিহীন আন্দোলন গণঅভ্যূত্থান ধ্বংসযজ্ঞ ছাড়া রাজনীতির কর্মসূচি থাকা দরকার। একটি সরকারকে পতন করতে একটি ধ্বংস, লুটপাট হত্যা জীবন জীবিকার পথ বন্ধ করে আরেকটি সরকারের সূচনা কাম্য নয়। শান্তিপ্রিয় জনগণ নিরাপত্তা চায়। তারা জীবন জীবিকা অর্জনে স্বাধিনতা ও অধিকার চায়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরকার পতনের কর্মসূচিতে এই পর্যন্ত সমস্ত কর্মসূচি পালিত হয়েছে রক্তপাত, সংগ্রামের মাধ্যমে। দুই হাজার চব্বিশ সালের আগস্ট সংগ্রাম আরেকটি রক্তসংগ্রামের সূচনা হয়েছে। ভ্রাত্রিপ্রতিম রাজনৈতিক দলের হিংসা প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে একে অপর। একদল অপরদলের নেতা কর্মিদের হত্যা, লুন্টন বাড়িঘর ধ্বংস করছে। রাজনীতির আদর্শ চরিত্র , আবেদন , অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করতে পারেনি। হিং¯্র থাবা আর ক্ষমতার উচ্চাবিলাসি উদ্দেশ্যে সতীর্থদের হত্যা জাতিকে রাজনীতির নিকৃষ্ট স্তরে নেমে ফেলেছে। ক্ষমতা আর অর্থ এই দুইটি বস্তু গোটা জাতির অর্জনগুলোকে বারবার ধ্বংস করছে। এই বৈষম্য বিরোধি ছাত্র গণআন্দোলন একটি সরকারের পতন হয়েছে। তবে আমরা আগামিতে কোনদিকে যাচ্ছি , কি আমাদের ভবিষ্যৎ সেই গন্তব্য অনিশ্চিত। রাজনীতি অর্থনীতি,পররাষ্ট্রনীতি কোন দিকে যাবে সেটি এখন বলা মুশকিল।বর্তমান অন্তরবর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রের জনগণকে কোন নিচ্ছে সেটি এখনো অস্পষ্ট।
ছাত্ররা রাস্তা পরিষ্কার করছে। ট্রাফিকের শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার নির্দেশনা হলেও এখনো ছাত্ররা রাস্তায় আছে। কী হবে ছাত্রদের লেখাপড়ার ভবিষ্যত, আগামি দিনের তাদের পথচলা।
রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তায় এক অন্ধকার যাত্রা পথে বাংলাদেশ।স্বাধিনতার ৫৩ বছরের এই দেশ এখন নিত্য নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের দিকে চলছে। প্রতিবেশি দেশের সাথে সম্পর্কের উন্নতি চোখে পড়ছে না। বাংলাদেশের জনগনের ধর্মিয় বাক স্বাধিনতা সম্প্রীতি ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। সংখ্যালঘু মানুষগুলো নিজদেরকে অনিরাপদ মনে করছে। তারা দেশ থেকে অন্য কোথাও বেরিয়ে যেতে চাচ্ছে।ধর্মিয় রাজনৈতিক কর্মসূচির আন্দোলনে সংখ্যালঘুরা আতংকিত হচ্ছে।যে কোনো সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্থান পতনে রাজনীতির বলির শিকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। এইসব চরিত্র জাতির জন্য কোনো ভাবেই কল্যান কর নয়। স্বাধিন সার্বভৌম বাংলাদেশ সবার জন্য সমান ভাবে নিরাপদ হতে হবে। যে কোনো আন্দোলন রক্তপাতহীন কর্মসূচীতে পালন করতে হবে। জনগণের জানমাল জীবন জীবিকা নিরাপদ করতে হবে।
প্রচলিত সরকারকে জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অনির্বাচিত সরকার একটি স্বল্পসময়ের সরকার। এটি দলীয় নির্বাচিত সরকার নয়। তাদেরকে সমস্ত জাতিয় কর্মসূচীর পরিচ্ছন্ন আয়ব্যয়ের হিসেব দিতে হবে। কোনো গোষ্টি বা মহলের প্রতিনিধিত্ব তারা নয়। তারা বাংলাদেশের জনগনের অস্থায়ী ও শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত। সেই কথা মাথায় রেখে পরিচ্ছন্ন ভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দেয়ার কাজ শেষ করতে হবে। রাজনৈতিক শূন্যতা দূর করতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রচলিত রাজনৈতিক দলের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে। উন্নয়ন,রাষ্ট্রের নিরাপত্তা জনগনের অধিকারের বাস্তবায়ন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ঠিক করতে হবে। জনমনে শংকা দূর করতে হবে। সরকারি বেসরকারি সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে হবে। পুলিশ বাহিনিকে দলীয় ভাবে ব্যবহার কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্র করতে হবে। তাদেরকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনুগত্যে প্রজাতন্ত্রের নিবেদিত সেবক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বৈষম্য সব জায়গা থেকে প্রতিরোধ করতে হবে। ইউপি পরিষদ থেকে বঙ্গভবন পর্যন্ত সবগুলো সরকারি প্রতিষ্ঠানকে দুর্নিতিমুক্ত জনগণের সেবক হিসেবে দেখতে চাই।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে সমস্ত শিক্ষার কার্যক্রম সংঘাতবিহীনভাবে পরিচালনা করতে হবে। ক্যাম্পাস দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে কোনো ধরণের ছাত্র সংঘাত যেন অভিভাবককে দেখতে না হয়। অন্তর্বর্তিকালীন সরকার প্রধান ও উপদেষ্টা পরিষদের সফলতার প্রত্যাশা জনগণের।

এই বিভাগের সব খবর

সালমান শাহ হত্যা : রিমান্ড শেষে কারাগারে ডন

‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় রিমান্ড শেষে খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাঁচ...

এমবাপ্পে-ভালভার্দের গোলে জয় দিয়ে শুরু রিয়াল মাদ্রিদের

কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ফেদেরিকো ভালভার্দের গোলে জয় দিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স ফুটবল লিগে যাত্রা শুরু করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গতরাতে এবারের মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে...

উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ ও টেকসই অংশীদারত্ব বাড়াতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহ চেইনের সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রফতানি বহুমুখীকরণ, উৎপাদনশীল...

সর্বশেষ

সালমান শাহ হত্যা : রিমান্ড শেষে কারাগারে ডন

‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) পূর্বপরিকল্পিতভাবে...

এমবাপ্পে-ভালভার্দের গোলে জয় দিয়ে শুরু রিয়াল মাদ্রিদের

কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ফেদেরিকো ভালভার্দের গোলে জয় দিয়ে উয়েফা...

উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ ও টেকসই অংশীদারত্ব বাড়াতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন,...

ওমানের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদানের প্রশংসা রাজপরিবারের

ওমানের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশি কর্মীদের মূল্যবান অবদানের...

কক্সবাজার সীমান্তে ১৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

জেলার টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪...

চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনায় ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময়...