চট্টগ্রামে দশ বছর বয়সি মোঃ ইমাম হোসেন জিহাদ (১০) নামে এক মাদ্রাসা শিশুকে বেধড়ক পিটুনির অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তার নাম মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৪)। সোমবার ৮ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাঁচলাইশ মডেল থানাধীন হিলভিউ আবাসিক এলাকার ০২নং রোড, সি- ব্লকস্থ নুরুল কোরআন মাদ্রাসা এ ঘটনা ঘটে। বেত্রাঘাতে জিহাদের বাম পায়ের রান, পিটসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারাাত্মক জখম হয়।
এঘটনায় আহত জিহাদের বাবা মো. সুমন পাঁচলাইশ মডেল থানা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে এজাহার দাখিল করেন।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এজাহার থেকে জানা যায়, বিবাদী উক্ত মাদ্রাসায় রাতে ক্লাস চলাকালীন আমার ছেলেকে পড়া জিজ্ঞেস করলে সে পড়া না পরায় শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। তখন আমার ছেলেকে ডেকে খালি একটি ক্লাস রুমে লাইট বন্ধ করে ইলেকট্রিক তার মোড়ানো বেত দিয়ে নিষ্ঠুরভাবে আঘাত করে আমার ছেলের বাম পায়ের রান, পিটসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নিলাফুলা জখম করে। বিবাদী আমার ছেলের মুখ ও মাথায় থাপ্পড় দিয়া স্বজোরে দেওয়ালের সাথে ধাক্কা মারিয়া মাথায় আঘাত করে। পরবর্তীতে একই তারিখ রাত অনুমান ১০টার দিকে আমি উক্ত মাদ্রাসায় আমার ছেলের সাথে দেখা করতে গেলে সে কান্না করা অবস্থায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে বিস্তারিত জানায়। তৎপরবর্তীতে আমি আমার ছেলেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই।
জিহাদের বাবা মো. সুমন বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতল (চমেক) থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এখন জিহাদ বাসায় আছে। মোটামুটি সুস্থের পথে। ওষধ চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, হিলভিউ আবাসিক এলাকার নুরুল কোরআন মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করে এক শিক্ষার্থীর বাবা। উক্ত মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

