রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের একাধিক এলাকায় পানির সংকটে বোরো ধানের চাষ হচ্ছনা । ফলে এই এলাকার চাষিরা পড়েছে চরম বিপাকে বি গত কয়েক বছর ধরে অনাবাদি আবস্তায় পড়ে থাকা শত একর জমি সেচ পাম্পের অভাবে কৃষকেরা চাষ করতে পারছেনা। বেতাগী এলাকার কৃষক মাষ্টার জসিম উদ্দিন বলেন ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি মদ্য বেতাগী এলাকায় তিনটি বিলে শত একর জমিতে কর্ণফুলী নদীর পানি সেচ পাম্পের মাধ্যমে পানি দিয়ে চাষাবাদ হত গত কয়েক বছর ধরে সেচ পাম্প বন্ধ থাকায় চাষাবাদ হচ্ছেনা । জানাযায় দ্রর্ব্য মুল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ দেখিয়ে পানির মুল্য বৃদ্ধি কামলার মুজুরি বৃদ্ধি জমি চাষের মুল্য বৃদ্ধি সারের মুল্য বৃদ্ধি সহ সব মিলিয়ে কৃষকদের ফুসিয়ে উটা অনেকটা কষ্ট কর হয়ে পড়েছে তার পরেও কৃষকরা চায় জমি চাষাবাদ করতে কিন্তু পানির অভাবে জমি গুলো বছরের পর বছর অনাবাদী রয়েগেছে এদিকে সেচ পাম্প পরিচালনা কারিদের অভিযোগ কৃষকেরা ঠিক মত পানির পয়সা দিছেনা ফলে তারাও আর পারছেন না নাম প্রকাশে অনিছুক এক ব্যক্তি জানান সরকার চাষাবাদের সুবিধার্থে নানান সুযোগ সুবিধা দিলেও সেচ পাম্প পরিচালনা কারিদের গাফেলতির কারনেই আজ এই অবসস্তায় রয়েছেন জমি গুলো ।
কৃষক আমিন মনছুর বলেন বিভিন্ন জায়গায় সোলার বিদ্যুেৎ এর মাধ্যমে পানি দিয়ে চাষাবাদ হচ্ছে এখানে ও যদি এরুপ ব্যবস্তা হত তাহলে আমার ও চাষাবাদ করে উপকৃত হতাম। এই নিয়ে বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম বলেন গুটি কয়েক খারাপ ব্যক্তির জন্য আজ কৃষকদের এই দুর অবস্থা । তিনি বলেন সুখবর হচ্ছে আগামী বছর থেকে যেন বেতাগী এলাকার জমি গুলোতে চাষ হয় সেই উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার এই ব্যপারে সব রকম ব্যবস্তা নেওয়া হচ্ছে ।

