৪ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের বিমান হামলায় নয় শিশু সহ ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন পঞ্চাশের অধিক নিরপরাধ মানুষ।যাঁদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।গতকাল গাজার দক্ষিণান্চলের খান ইউনিসে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়। ইসরাইল হামলা সম্পর্কে সরাসরি মন্তব্য না করলেও তারা খান ইউনিসে একটি বিমান হামলা চালানোর খবর নিশ্চিত করেছে।তারা দাবী করেছে,ওই হামলায় বোমা স্থাপনের চেষ্টারত তিনজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। ইসরাইলের সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে,তাদের স্থলবাহিনীর হামলায় কাছাকাছি একটি ভবনে আরও দুজন জঙ্গি নিহত হয়।যদিও নিরপেক্ষ সূত্র থেকে সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে ইসরাইল বৃহস্পতিবার লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে নতুন হামলা করা এবং লেবানন থেকে ইসরাইলের দিকে নতুন আন্তঃসীমান্ত পাল্টা রকেট নিক্ষেপের কথাও জানিয়েছে। হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ এক টিভি ভাষণে গত পরশু লেবাননে হামলার বিরুদ্ধে ইসরাইলকে সতর্ক করার একদিন পর হামলার এই ঘটনা ঘটলো।ড্রোন হামলায় বৈরুতে হামাসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর নাসরাল্লাহ এই মন্তব্য করেন। হামাস এবং এই অঞ্চলের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সালেহ আল-আরৌরির হত্যার জন্য ইসরাইলের ড্রোন হামলাকে দায়ী করেছেন।তবে ইসরাইল সরাসরি এই দায় স্বীকার করেনি। অপরদিকে গত বুধবার ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বার্নিয়া বলেন, ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িত হামাস সদস্যরা যেখানেই থাকুক না কেন মোসাদ তাদের খুঁজে বের করবেই।
সূত্র:- আল -জাজিরা,রয়টার্স ও ভয়েস অফ আমেরিকা।
