গত ১৭ ডিসেম্বর রোববার উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে চালানো ইসরায়েলের বিমান হামলায় রোববার থেকে এ পর্যন্ত ১১০ জন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছেন গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। সোমবার সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে,জাবালিয়ার শরনার্থী শিবিরে হামলায় আজ আরও ৫০ জন নিহত হয়েছে।এ নিয়ে রোববার থেকে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১০ জনে।এই সংখ্যা আরও বাড়ার আশংকা করছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এ বিষয়ে সরাসরি কোনও কথা বলেনি। তবে তারা ওই এলাকায় অভিযান চালানচ্ছে বলে জানিয়েছে।গাজার উত্তরের এই জাবালিয়া শরণার্থী শিবির বারবারই ইসরায়েলের বিমান হামলার শিকার হয়েছে।
যুদ্ধে ইসরায়েলের স্থল হামলারও কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে জাবালিয়া। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) তারা এলাকাটিতে সন্ত্রাসী এবং সন্ত্রাসের অবকাঠামোকে নিশানা করে হামলা চালাচ্ছে। এতে বহু বাড়িঘর এবং সড়ক হামলায় ধ্বংস হয়েছে। গাজার ৮ টি শরণার্থী শিবিরের সবচেয়ে বড়টিই এই জাবালিয়ায় অবস্থিত। ১৯৪৮-৪৯ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর এ শরণার্থী শিবির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এখানে বাস করে জাতিসংঘের নিবন্ধিত ১১৬,০০০ শরণার্থী। ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এই শরণার্থী শিবিরকে হামাসের ঘাঁটি হিসাবেই দেখে থাকে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েলের স্থলবাহিনী এই শিবিরকে কেন্দ্র করেই অভিযান চালিয়ে আসছে। বিবিসিকে ইসরায়েল সরকারের এক মুখপাত্র লেভি বলেছেন,তারা গাজায় অভিযান চালানোর সময় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার চেষ্টা করছে।কিন্তু হামাস সমস্যা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।লেভি বলেন,ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস মানবিক আইন এবং মানবতার নীতি ভঙ্গ করে ইচ্ছা করেই বেসামরিক অবকাঠামোর নিচে লুকাচ্ছে। স্কুল, হাসপাতালের নিচে লুকিয়ে পড়া এই সন্ত্রাসীদের কাছে পৌঁছাতে ইসরায়েল সাধারণ নাগরিকদেরকে ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে সরে যেতে বলছে তাঁরা। সূত্র:- রয়টার্স ও আল-জাজিরা।
