পাঁচটি চেক প্রতারণার মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী খন্দকার লতিফুর রহমান আজিম জামিন চেয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। কিন্তু আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খন্দকার লতিফুর রহমান আজিম মহানগরীর পাচঁলাইশ থানার নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকার মৃত খন্দকার মিজানুর রহমানের ছেলে।
বুধবার চট্টগ্রামের চতুর্থ মহানগর যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের বিচারক রাজিয়া সুলতানা এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আজিম।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশকর আলী সুজন জানান, চেক প্রতারণার পাঁচটি পৃথক মামলায় পাচঁ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি খন্দকার লতিফুর রহমান আজিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এরাজ এন্টারপ্রাইজের মালিক খন্দকার লতিফুর রহমান আজিমকে ব্যবসার জন্য টাকা দেন মফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। পরে ১ কোটি ৭৫ লাখ ৮৮ হাজার টাকা পাওনা পরিশোধে মফিজুর রহমানকে ৯টি পৃথক অংকের চেক দেন আজিম। কিন্তু আজিমের দেওয়া চেকগুলো নগদায়ন না হওয়ায় ২০১৪ সালের বিভিন্ন সময়ে পাচঁটি চেক প্রতারণার মামলা করেন চেকগ্রহীতা মফিজুর রহমান।
২০২২ সালের ২১ মার্চ চট্টগ্রাম চতুর্থ মহানগর যুগ্ম দায়রা জজ আদালত এ মামলা তাকে ৫ বছরের সাজা দেন। রায়ে ওই পাঁচ মামলায় চেকের সমপরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ ৮৮ হাজার টাকা জরিমানাসহ প্রত্যেক মামলায় এক বছর করে মোট পাচঁ বছরের কারাদণ্ড দেন।
২০২৩ সালের ১৫ মে যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন খন্দকার লতিফুর রহমান আজিম। কিন্তু আপিল আদালত আজিমের আবেদনগুলো নামঞ্জুর করে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন এবং সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের আদেশ দেন।

