বাংলাদেশ সফররত জাপানের অর্থনীতি,বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী নিশিমুরা ইয়াসুতোশি বলেছেন,তাঁর দেশ ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করার প্রচেষ্টায় পূর্ণ সহযোগিতা করবে
।আজ ২৪ জুলাই সোমবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ কথা জানান।খবর ইউএনবির। এর আগে ঢাকার মেট্রোরেলে ভ্রমণ করেন জাপানের অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী।এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।জাপানের মন্ত্রী দুই দিনের সরকারি সফরে গত ২৩ জুলাই ঢাকায় এসেছেন।এই প্রথম জাপানের কোনো এমইটিআই মন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করছেন।চলতি বছরের এপ্রিলে বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরের সময় দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথভাবে ঘোষিত কূটনৈতিক সম্পর্কের ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’-এর কথা উল্লেখ করেন নিশিমুরা ইয়াসুতোশি।তিনি জাপানের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত মেগা প্রকল্প নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।বাংলাদেশের তরুণ ও উদ্যমী জনসংখ্যার প্রশংসা করেন নিশিমুরা ইয়াসুতোশি।পাশাপাশি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কথা উল্লেখ করেন। প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি গত দেড় দশকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন।এ ছাড়া অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আইসিটি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আরো জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার। একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পর, বাংলাদেশে বিদ্যমান অগ্রাধিকারমূলক আচরণ বজায় রাখার কথা পুর্নব্যক্ত করেন তিনি। জাপানের মন্ত্রী নিশিমুরা জানিয়েছেন, মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পর,বাংলাদেশকে দেয়া অগ্রাধিকারমূলক আচরণ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছে জাপান।এই বিষয়ে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) সাহায্য করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে জাপানের অব্যাহত সহায়তার জন্য নিশিমুরাকে ধন্যবাদ জানান।
