চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেছেন,যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শুধু বাংলাদেশের জনগণের হয়ে শক্ত অবস্থানই নয়,আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশেষ করে উন্নয়নশীল বিশ্বের বড় অংশের মনের কথা।আমরা তাঁর বক্তব্যকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন জানাই।
আজ ১৪ ই জুন বুধবার ঢাকার চীনা দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।খবর ইউএনবির। কিছুদিন আগে লন্ডন থেকে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ও সম্প্রতি ভিসানীতি নিয়ে দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাহসী ও দৃঢ় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।যা বিশ্বের অনেককে হতবাক করে দিয়েছে।শেখ হাসিনা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বলেছেন,বাংলাদেশ নিষেধাজ্ঞাকে ভয় পায় না। নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দেশগুলোর কাছ থেকে কোনো কিছু কেনা হবে না।তিনি বলেন আমেরিকার উচিত নিজের দেশের প্রতি মনোযোগী হওয়া।তাঁদের নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে চীনের মন্তব্য কী এমন প্রশ্নের উত্তরে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য আমরা লক্ষ্য করেছি।প্রকৃতপক্ষে নিজস্ব জাতিগত বৈষম্য,সহিংসতা এবং মাদক বিস্তারের সমস্যার প্রতি দৃষ্টি না রেখে,একটি নির্দিষ্ট দেশ দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের অজুহাতে বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে আসছে।
তিনি বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী।আমরা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব,স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা,স্বাধীন দেশীয় ও বৈদেশিক নীতি সমুন্নত রাখা এবং এর জাতীয় বাস্তবতার সঙ্গে মানানসই উন্নয়নের পথ অনুসরণে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি।তিনি আরও বলেন, চীন সব সময় জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী ও মানবজাতির কল্যাণে আধিপত্যবাদ ও ক্ষমতার রাজনীতির বিরোধিতা করে। জাতিসংঘ কেন্দ্রীক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক আইন ও রীতি সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন সবসময় প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান ওয়াং ওয়েনবিন।

