নগরীতে এক শিশুকে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এক পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার দুপুর ১টার দিকে আলোকচিত্র সাংবাদিক আবু সাঈদ মোহাম্মদ তামান্না ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে ভিডিওটি পোস্ট করেন। তিনি দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার চট্টগ্রাম অফিসে কর্মরত আছেন। বিষয়টি নজরে আসার পর নগর পুলিশের পক্ষ থেকে মারধরকারী ওই সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্য মো. শওকত নগর পুলিশের যানবাহন শাখায় কনস্টেবল পদে ছিলেন। ট্রাফিক বিভাগের রেকার চালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করতেন।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (যানবাহন) কীর্তিমান চাকমা বলেন, ‘অভিযোগ পাবার পর কনস্টেবল শওকতকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একজন সহকারী কমিশনারকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আলোকচিত্রী আবু সাঈদ তামান্না বলেন, ‘সকাল ১১টা থেকে সোয়া ১১টার মধ্যের এ ঘটনা। আমি এবং ডেইলি স্টারের ফটোসাংবাদিক রিয়াজ রায়হান একসঙ্গে ছিলাম। বৃষ্টির কারণে আমরা মোটর সাইকেল থামিয়ে টাইগার পাস মোড়ে পুলিশ বক্সের পাশে চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। এ সময় এক পুলিশ সদস্যকে শিশুটিকে মারধর করতে দেখে ভিডিও ধারণ করি। আমি শিশুটিকে কেন মারধর করা হচ্ছে সেটি ওই পুলিশ সদস্যের কাছে জানতে চাইলে তিনি মারধর বন্ধ করেন।’
দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট করার তামান্নার ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত চার হাজারেরও বেশি মানুষ ভিডিওটি শেয়ার করেন এবং চার শতাধিক মানুষ পোস্টটিতে মন্তব্য করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্য মুখে সিগারেট নিয়ে চায়ের দোকানে শিশুটিকে মারধর করছিল।
আনুমানিক ১২ বছর বয়সী শিশুটির দাবি, টেবিলের ড্রয়ার থেকে সিগারেট চুরির অভিযোগে তাকে মারধর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ কনস্টেবল শওকতের বক্তব্য জানতে পারেনি।

