প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া এক কিশোরীকে(১৪) অপহরণ করে প্রেমিক রুপী জুম্মান(১৯)।ঈদের পরদিন তথা গত ২৩শে এপ্রিল আনুমানিক সকাল এগারোটার দিকে পিরোজপুর জেলার মঠবারিয়া থানাধীন ২নং বাহালিপট্টি এলাকায় অবস্থিত কিশোরীর বাড়ীর সামনের রাস্তা থেকে কৌশলে মোটরসাইকেল উঠিয়ে তাঁকে অপহরণ করা হয়
।এই ঘটনায় কিশোরীর পিতা গত ২৬শে এপ্রিল মঠবারিয়া থানায় মামলা দায়ের করলে র্যাব-১১ সিপিএসসি এর গোয়েন্দা দল গুরুত্বের সঙ্গে ছায়া তদন্তে নেমে মামলা দায়েরের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গতকাল ২৭ শে এপ্রিল রাতে নারায়ণগন্জের ফতুল্লা থানা এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে আটক করতে সমর্থ হয়।
আটক জুম্মান রুপগন্জ উপজেলার দক্ষিণ যাত্রামুরা দীঘিবরাবো এলাকার মতিউর রহমানের ছেলে।আজ ২৮ শে এপ্রিল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-১১ এর সহকারী পরিচালক (এএসপি) মোঃ মোশাররফ হোসেন এসব জানান। বিজ্ঞপ্তীতে র্যাব-১১ জানায়,ভিকটিমের সাথে আটক জুম্মানের পরিচয় হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে।একসময় জুম্মান কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।সেই সম্পর্কের দাবীতে সবসময়ই সে কিশোরীকে বাজে প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো।কিন্তু কিশোরী রাজি না হওয়ায় জুম্মান তাঁকে অপহরণের পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ঈদের পরদিন সে কিশোরীর সাথে দেখা করতে তাঁদের এলাকায় যায়।একটি মোটরসাইকেলে আরও দুই সঙ্গী সহ সেখানে গিয়ে কিশোরীকে ঘুরতে যাবার কথা বলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে আসে।তারপর থেকে কিশোরীর কোন খোঁজ পাচ্ছিলোনা তাঁর পরিবার।সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে না পেয়ে অবশেষে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করেন কিশোরীর পিতা।সেই মামলার ভিত্তিতে ছায়া তদন্তে নামে র্যাব-১১ এর সিপিএসসি গোয়েন্দা ইউনিট।
বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগে তাঁরা জুম্মানের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে গতরাতে ফতুল্লায় ব্যাপক অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করতে ও জুম্মানকে আটক করতে সক্ষম হন। পর আজ ২৮ শে এপ্রিল দুইজনকেই পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানায় পাঠানো হয়।জুম্মানের সহযোগীদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তীতে জানায় র্যাব-১১।
