সন্দ্বীপ রহমতপুর ইউনিয়নের গর্বিত সন্তান রাজনৈতিক অঙ্গনের উজ্জল নক্ষত্র মোঃ নুরুল ইসলাম নজরুল। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ব্রুকলিন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সন্মানীত সদস্য। বহিঃবিশ্বে রাজনীতি করে তিনি সন্দ্বীপের নাম উজ্জ্বল করেছেন প্রতিনিয়ত। প্রবাসে থেকেও তিনি নাড়ির টানে সন্দ্বীপের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরকারের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের অনেকের সাথে সখ্যতার সূত্রে আলাপ চারিতার ফাঁকে বিভিন্ন দাবী দাওয়া তুলে ধরেন।লাঘব করেন অনেক সমস্যা।করোনকালীন দিয়েছেন অনেক ত্রাণ সহযোগিতা,প্রবাসে থেকেও দুঃস্থ অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন নিরলস ভাবে।

তারই ধারাবাহিকতায় ১২ ফেব্রুয়ারী নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরতে আয়োজন করেন উঠান বৈঠকের ।উঠান বৈঠক লোকে লোকারন্য হয়ে জনসভায় রুপান্তরিত হয়। উক্ত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ওনার শ্রদ্ধার পাত্র প্রিয় নেতা সন্দ্বীপের ব্যাপক উন্নয়নের রুপকার বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা।বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মিশন,মেয়র মোক্তাদের মাওলা সেলিম, উপজেলা আওয়ামীলিগের সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন বেদন।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ জামিল ফরহাদ,জেলা পরিষদ সদস্য ছিদ্দিকুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হরিশপুরের কাসেম মোল্লা, আমানউল্যার মোঃ সাইফুল ইসলাম, হারামিয়ার জসিম উদ্দিন, গাছুয়ার আবু হেনা, সন্তোষপুরের মহিউদ্দিন জাফর,আজিমপুরের শামসুদ্দিন রকি, রহমতপুরের ফরিদুল মাওলা কিশোর। এছাড়াও উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাহফুজুর রহমান সুমন উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করেছেন।বৈঠকে প্রধান অতিথি উন্নয়নের ফেরিওয়ালা এমপি মাহফুজুর রহমান মিতার নিকট তুুলে ধরেন নিজ ইউনিয়নের সমস্যার চিত্র।
সেগুলো লাঘবে প্রতিশ্রুতি আদায় করে নেন এমপির কাছ থেকে,যার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার প্রাথমিক কাজও শুরু করে দিয়েছেন তার পরদিন। তৈরি করা হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্প। কিন্তু তাই বলে পুরো সন্দ্বীপের সমস্যা লাঘবে এগিয়ে যাবেননা, তা কিভাবে সম্ভব?সন্দ্বীপের সমস্যা তুলে ধরা যে তার নেশা।
তাইতো তারপরদিন সকালে সন্দ্বীপ থেকে রওয়ানা দিয়ে ১৩ তারিখ বিকাল ৪টায় গণভবনে ছুটে গেলেন তিনি।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউম্যানিটি হিসাবে খ্যাত জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করলেন তিনি। দেখা করে সন্দ্বীপের উন্নয়নের কথা তুলে ধরলেন।বললেন আপনার প্রতিটি নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন আমাদের জনপ্রিয় এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা মহোদয়। বলনেন মাননীয় নেত্রী আপনার স্বদিচ্ছায় ও এমপি মাহফুজুর রহমান মিতার আন্তরিক প্রচেষ্টায় পাল্টে যাচ্ছে সন্দ্বীপ। সন্দ্বীপে সাব মেরিন ক্যাবলে বিদ্যুতায়ন,ব্লক বেড়িবাঁধ নির্মান, রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, ট্যানিক্যাল কলেজ স্থাপন,ফায়ার সার্ভিস অফিস স্থাপন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহুতল ভবন নির্মান সহ রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়নের কথা।আর এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখতে এমপি মাহফুজুর রহমান মিতাকে আবারো আওয়ামীলিগ থেকে মনোনয়ন নিশ্চিত করার অনুরোধ জানালেন।
কিন্তু সন্দ্বীপের মূল সমস্যা তুলে ধরা ছিলো তার প্রধান উদ্দেশ্য। তাই তিনি তুলে ধরলেন নৌ-যাতায়তের চরম অব্যবস্থাপনার কথা, নৌ-পথে মৃত্যুর মিছিল বড় হওয়ার কথা। নৌ পথে নব বিবাহিত নারীর বিধবা হওয়া, ছোট্ট সোনামনিকে হারিযে শোকে পাগল হওয়া মায়ের বাস্তব কাহিনী,পিতা হারানো সন্তানদের অভিবাবকহীন জীবনের কথা । সব কিছু শুনিয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হৃদয় নাড়াতে স্বক্ষম হলেন, প্রধানমন্ত্রীকে করে তুললেন আবেগ প্রবন। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষনিক সন্দ্বীপের নৌ-যাতায়াতের সমস্যা লাঘবে এমপি মাহফুজুর রহমান মিতার সাথে আলোচনা করে দ্রুত সমাধান করার আশ্বাস প্রদান করলেন।যেই আশ্বাস বানী শুনে তিনি অত্যান্ত আনন্দিত ও উচ্ছসিত।তিনি মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানালেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সন্দ্বীপ টু চট্টগ্রাম যাতায়াতে সড়ক পথ তৈরি বা ফেরি চলাচলের সুযোগ তৈরি করে দেবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

