সন্দ্বীপ টাউন জগন্নাথ দেবালয়কে প্রাচীন মহাভারতের নৈমিষারণ্য বলে আখ্যায়িত করলেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব এ্যাডভোকেট গৌবিন্দ প্রামানিক। তিনি সন্দ্বীপ এসেছেন ওনার সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত গীতাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে। তার এ সাংগঠনিক সফরে সঙ্গী ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি দ্বীনবন্ধু রায়,সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রদীপ কুমার পাল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক গোপাল মজুমদার রুমেল। সন্দ্বীপের মাটিতে পা ফেলে তিনি সন্দ্বীপ টাউন জগন্নাথ দেবালয় পরিদর্শনের আগ্রহ জানালেন।মন্দির পরিচালনা কমিটি ওনার আগ্রহকে সন্মান দেখিয়ে ধন্যবাদের সহিত আহব্বান জানালেন।মহাজোটের সন্দ্বীপ শাখার সভাপতি ডাঃ নারায়ন দাশ ও কয়েকজন নেতৃবৃন্দ নিয়ে তিনি মন্দির পরিদর্শন করতে এলে মন্দির কমিটি ওনার মতো একজন সাহসী নেতাকে পেয়ে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
এ সময় মন্দির প্রাঙ্গনে ওনার আগমনে এক সংক্ষিপ্ত সভার আয়োজন করে মন্দির কমিটি। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্দির কমিটির সভাপতি মাষ্টার বল্লভ কৃষ্ণ মুখার্জি।সভা সঞ্চালনা করেন সাধারন সম্পাদক বাদল রায় স্বাধীন।বক্তব্য রাখেন এ্যাডভাকেট গৌবিন্দ প্রামানীক, গোপাল মজুমদার রুমেল, শারদাঞ্জলী ফোরামের সভাপতি রবি মজুমদার।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে মন্দির পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি কার্তিক চক্রবর্তী,সাংগঠনিক সম্পাদক শৈবাল দে মনা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিরন চন্দ্র রায়,দপ্তর সম্পাদক রনজিত মজুমদার সহ শারদাঞ্জলী ফোরাম ও জাতীয় হিন্দু মহাজোট সন্দ্বীপ শাখার অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে গৌবিন্দ প্রামানিক আরো বলেন বাংলাদেশে হিন্দুর সংখ্যাধিক্য অনুযায়ী পুরুষ ও নারী মিলে প্রায় ৬০ জন সংসদ সদস্য থাকার কথা, কিন্তু সকল রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলে কোন না কোন ভাবে হিন্দুদের দাবীয়ে রাখে। ধর্ম মন্ত্রনালয়ের ১৫ হাজার ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্ধের ১০% হার অনুযায়ী হিন্দুরা সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা পাওয়ার কথা কিন্তু দেওয়া হয়েছে মাত্র একশত নব্বই কোটি টাকা। এ সমস্ত বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সব ক্ষেত্রে আমরা বৈষম্যের শিকার।
ইমা

