বর্ণাঢ্য আর রঙিন আয়োজনের মধ্যে উদযাপিত হলো দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৭তম দিবস। শিক্ষা আর গবেষণায় শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে সামনের দিনগুলোতে প্রাণের এ ক্যাম্পাস এগিয়ে যাবে এমন প্রত্যাশা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।
শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) সকালে ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারের সামনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। পরে একটি বর্ণিল র্যালি শুরু হয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে আলোচনা সভায় অতিথি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. মুনতাসীর মামুন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রাজনীতির সীমারেখা থাকা উচিত। আগে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা আসতেন বিশ্ববিদ্যালয়ে আর এখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা যান রাজনীতিবিদদের কাছে। এ চিত্র পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন, তা না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্ক্ষিত মান বজায় রাখা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, সেমিস্টার সিস্টেমের কারণে শিক্ষার্থীরা সারাদিন পরীক্ষা মধ্যে থাকতে হচ্ছে। উগ্রবাদ দমানো না গেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের রক্ষা যাবে না, তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমি কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে স্মৃতিচারণ করে বলেন, পুরো ক্যাম্পাস ছোট্ট একটি জেলা শহরের সমান। এমন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের ক্যাম্পাস খুব কমই আছে।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতির পরিবর্তনে জ্ঞানের প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত। আজ ভাবতে হবে জ্ঞান চর্চা বাড়িয়ে কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। সুনাম ছড়িয়ে দিতে আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজনসহ আন্তর্জাতিক জার্নাল প্রকাশ করার আহ্বান জানান বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের।
দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতি পরিবেশনায় ছিল। যেখানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

