বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশকে খুন হওয়ার আগে ৩ নভেম্বর দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে যাত্রাবাড়ী মোড়ে দেখা গিয়েছিল ।রাত সোয়া দুইটার দিকে যাত্রাবাড়ী মোড়ে সাদা গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় এক যুবক ফারদিনকে একটি লেগুনায় তুলে দেয়। ওই লেগুনায় আরও চারজন ছিল। লেগুনাটি তারাবোর দিকে নিয়ে যায়। ওই লেগুনার চালক ও সহযোগীদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১৭ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ফারদিনের মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি। কোথায় তাকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কিছু পাওয়া যায়নি।
এর আগে র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফারদিন রাত আড়াইটার দিকে চনপাড়া বস্তিতে ছিলেন। তাকে ওই বস্তির রায়হান গ্যাং হত্যা করে থাকতে পারে। তারা রায়হান ও তার সহযোগীদের নজরদারিতে রেখেছে।
তবে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, যাত্রাবাড়ী থেকে লেগুনায় উঠে যাত্রীদের তিনজন বিশ্বরোডে গিয়ে নামে। একজন তার পরের স্টপেজে নামে। ওই জায়গা থেকে চনপাড়া যেতে অন্তত এক ঘণ্টা লাগার কথা। ফলে রাত আড়াইটার দিকে তার যে চনপাড়ায় উপস্থিতির কথা বলা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।
৪ নভেম্বর নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর ৭ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী ফারদিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা জানান, এটি হত্যাকাণ্ড। ফারদিনের মাথা ও বুকে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় রামপুরা থানায় তার বাবার করা মামলায় আয়াতুল্লাহ বুশরা নামে ফারদিনের এক বান্ধবীকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে রিমান্ডের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ইমা

