নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকায় প্রেমিক ও তাঁর সঙ্গীদের দ্বাড়া এক নারী গার্মেন্টস কর্মী (২০)গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৮ অক্টোবর রাতে বন্দর ইউনিয়নস্থ বালুচর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।পরবর্তী সময়ে ধর্ষনের শিকার হওয়া নারীর কাছ থেকে ঘটনা শুনে এলাকাবাসী পুলিশে সংবাদ দিলে বন্দর থানা পুলিশ প্রেমিকরুপী ধর্ষক লম্পট জাহিদ (২৬)কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। ভুক্তভোগী ধর্ষিতা গার্মেন্টস কর্মীকে চিকিৎসা প্রদানের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক জাহিদ মিয়া বন্দর কলাবাগ এলাকার দ্বীন ইসলামের ছেলে।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, বন্দর ইউনিয়নের কলাবাগ এলাকার দ্বীন ইসলামের ছেলে জাহিদ ও আমি নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টসে একসাথে কাজ করি। সে সুবাদে আমাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ১৮ ই অক্টোবর সন্ধ্যায় কাজ শেষে জাহিদ ও আমি একসাথে বন্দর খেয়াঘাট পার হই। জাহিদ আমাকে বালুচর পার্কে লাচ্ছি খাওয়ার কথা বলে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে প্রথমে সে নিজে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। পরে সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় থাকা জাহিদের সহযোগী আরও নয়জন মিলে ভয় দেখিয়ে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এবং কাউকে কিছু বললে প্রানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়।পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বাসায় ফিরে তিনদিন অচেতনের মতো ছিলাম।একটু সুস্থ হবার পর প্রতিবেশী কয়েকজনকে আমার উপর হওয়া নির্যাতনের কথা বলি।
এ ঘটনায় বন্দর থানা ওসি তদন্ত আবু বকর ছিদ্দিক জানান, গনধর্ষনের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।একই সাথে জড়িত অন্যদের গ্রেফতার করতেও অভিযান চলছে।
ইমা

