চব্বিশ ঘণ্টা আগে এই নেশনস লীগেই ক্লাসিক এক ম্যাচ দেখেছিলো ফুটবল বিশ্ব।জার্মানী বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যকার সেই ম্যাচের রেশ না কাটতেই
আরও একটি ধ্রুপদি ফুটবল ম্যাচ দেখলো ফুটবল বিশ্ব।চুড়ান্ত চারের শেষ দলটির জন্য অপেক্ষায় ছিলো ফুটবলপ্রেমীরা।পর্তুগাল বনাম স্পেনের ফলাফল চার নম্বর দলটি নির্ধারন করবে।অপেক্ষাকৃত সমীকরণটা পর্তুগালের জন্যই সহজ ছিলো।নিজেদের মাঠে ড্র করলেই তাঁদের হয়ে যেতো।অন্যদিকে জয় ছাড়া ভিন্ন পথ ছিলোনা স্পেনের জন্য।খেলা শুরুর আগে পর্তুগালকেই চতুর্থ দল হিসেবে ভেবেছেন বেশির ভাগ ফুটবলপ্রেমী।এক পয়েন্ট পেলেই চুড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত। কিন্তু খেলা যতো গড়িয়েছে ততোই মনে
হয়েছে রোনালদোরা কোমড় বেঁধে জয়ের জন্যই মাঠে নেমেছে।খেলার প্রথমার্ধে পর্তুগালের আধিপত্যই বেশী ছিলো।কিন্তু গোল বের করতে পারেনি।গোলশূন্য প্রথমার্ধ শেষে দ্বিতীয়ার্ধে স্পেন চড়াও হয়।একের পর এক আক্রমনে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে পর্তুগীজ রক্ষন ভাগকে।খেলা যতোই শেষের দিকে গড়াচ্ছিলো ততোই স্পেন স্নায়ুর পরীক্ষা নিচ্ছিলো।নির্ধারিত সময়ের দুই মিনিট বাকি তখন।পর্তুগালের চুড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত হওয়া কয়েক মিনিটের দূরত্বে মাত্র।স্টেডিয়ামের দর্শকরা দল বেঁধে কোরাস গাইছিলো।এমন সময়ই স্পেনের অভিজ্ঞ সৈনিক আলভারো মোরাতার অবিশ্বাস্য গোল!পিনপতন নিরবতা স্টেডিয়ামে।নিজেদের চোখকে যেনো বিশ্বাস করতে পারছিলোনা পর্তুগীজরা।পাঁচ মিনিট ইনজুরি টাইমে জানবাজি রেখে মরিয়া চেষ্টা করলেও স্প্যানিশরা দল বেঁধে রক্ষন সামলেছে ঐ সময়টুকুতে।রেফারী খেলার শেষ বাঁশি বাজাতেই বুনো উল্লাসে মেতে ওঠে স্প্যানিশরা।তাঁদের বাঁধ ভাঙ্গা উল্লাস দেখে মনে হয়েছিলো যেনো তারা বিশকাপ জিতেছে।
গ্রুপের অন্য খেলায় চেক রিপাবলিককে ২-১ গোলে হারিয়েছে সুইসরা।
ইমা

