এবছর বর্ষাকালে বৃষ্টিই হয়নি বলতে গেলে। সপ্তাহ খানেকের সামান্য বৃষ্টিই ছিল পুরো বর্ষা অবগাহনের একমাত্র পাওয়া। বর্ষার সেই বৃষ্টি ঘাটতি পূরণ হচ্ছে শরতে এসে। চলতি সেপ্টেম্বরের এ সপ্তাহে দেশব্যাপী মাঝারি থেকে ভারী ও অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়ে চলেছে। আগামী কয়েকদিনও চট্টগ্রামসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে মাঝারি থেকে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার থেকে কমতে পারে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা। লঘুচাপের কারণে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সঞ্চালণশীল মেঘমালা দেশ জুড়ে এই বৃষ্টি পরিস্থিতি অব্যাহত রেখেছে।
বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, লঘুচাপের প্রভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গায় ১২১ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন ৯৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া হাতিয়ায় ১২০, বগুড়ায় ১১৭, টাঙ্গাইলে ৯৮, সীতাকুন্ডে ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
লঘুচাপের কারণে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সঞ্চারণশীল মেঘমালায় চলমান এই পরিস্থিতি এই সপ্তাহ অব্যাহত থাকবে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিন থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে শুরু করবে। চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
বলা হয়েছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি মধ্যপ্রদেশের মধ্যাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিরাজমান রয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
ইউডি

