বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সফর শুরু করেছিলো টেস্ট সিরিজ দিয়ে।দুই টেষ্টেই দাপুটে জয় পায় স্বাগতিক ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।তারপর অনুষ্ঠিত দুই টি টোয়েন্টিতেও একইভাবে দাপুটে জয় পায় স্বাগতিকরা।সফরের শেষ ভাগে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ।যে ফরম্যাটে বাংলাদেশ সবচেয়ে ধারাবাহিক বলে সর্বজনবিদিত।গতকাল ১০ ই জুলাই রবিবার বাংলাদেশে আমরা যখন দিনভর কোরবানি,ঈদ আয়োজন শেষ করে ক্লান্তিতে ঘুমের আয়োজনে ব্যস্ত,সাকিব আল হাসান,
ও মুশফিক বিহীন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল টস করছেন তখন গায়ানায়।টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন।
সকালের বৃষ্টিতে খেলা দেরিতে শুরু হওয়ায় ওভার কমিয়ে ৪১ ওভারের ম্যাচ নির্ধারন করা
হয়।মেঘলা আকাশে উইকেটের ময়েশ্চার কাজে লাগিয়ে বোলাররা প্রতিপককে চেপে ধরবে সেই আশাতেই টস জিতে বোলিং নেওয়া।দলের বোলাররা হতাশ করেননি তামিম ইকবালকে।বোলারদের কল্যানেই প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেয়ে যায় বাংলাদেশ।
এই ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ওডিআইতে পথচলা শুরু করা নাসুম আহমেদ বোলিংয়ের ওপেন করে টানা আট ওভারের চমৎকার স্পেল করেন।উইকেট না পেলেও ফিগারটি দেখুন,৮-৩-১৬-০।দলের পাঁচ বোলারই বেশ নিয়ন্ত্রিত বল করেছেন।
প্রথম ওভারের প্রথম বলেই বোল্ড উইকেট পাওয়া ফিজের ফিগার,৮-০-৩৪-১।
মেহেদী মিরাজের বোলিং ফিগার,৯-২-৩৬-৩।তাসকিন আট ওভারে ২৫ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থাকেন।সবচেয়ে দূর্ভাগা ও একই সাথে সফল বোলার ছিলেন শরিফুল ইসলাম।উইন্ডিজ দলের নবম উইকেট পড়ে দলীয় ১১০ রানে।শরিফুলের শিকার ৪ উইকেট।দলের ফিল্ডাররা শরিফুলের বলেই তিনটি ক্যাচ মিস না করলে পাঁচ উইকেটের ম্যাজিক্যাল ফিগারের গৌরব অর্জন করতে পারতেন।শেষ পর্যন্ত ৮-১-৩৪-৪ ছিলো শরিফুলের ফিগার।১৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৯ রানে লিটনকে হারালেও আসলে একটি বারের জন্য মনে হয়নি বাংলাদেশ এই ম্যাচটি হারতে পারে।তামিম ইকবালের ২৫ বল ৩২,শান্তর ৩৭,মাহমুদউল্লাহ
ও নাসুম আহমেদের ৪০রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ছয় উইকেট ও ৫৫ বল বাকি রেখে দাপুটে জয় পায় বাংলাদেশ।বলার অপেক্ষা রাখেনা জাতির ঈদ আনন্দে কিছুটা হলেও বাড়তি মাত্রা যোগ করবে এই জয়।দুই দলের এই সিরিজ বিশ্ব সুপার লীগের অংশ না হলেও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত।তাই বাকি দুটো ম্যাচেও এমনই দাপুটে জয় আশা করে পুরো বাংলাদেশ।যাঁর ২য় ম্যাচটি ১৩ই জুলাই এই গায়ানাতেই হবে।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ-
ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ১৪৯/৯(৪১.০),ব্রুকস ৩৩,
শরিফুল ইসলাম ৩৪/৪,মিরাজ ৩৬/৩।
বাংলাদেশ ১৫১/৪(৩১.৫),মাহমুদউল্লাহ ৪১*,
শান্ত ৩৭,তামিম ৩৩,নূরুল২০*।
ফলঃ-বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জিতে ১-০ এগিয়ে সিরিজে।
ম্যান অব দ্য প্লেয়ারঃ-মেহেদী হাসান মিরাজ।
ইমা

