সদারঙ্গ উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিষদ বাংলাদেশের আসন্ন মুক্তা জয়ন্তীর প্রাক–আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠানমালার সেমিনারে আলোচকরা বলেন, সংস্কৃতি একটা জাতির আয়না ও সবচেয়ে বড় পরিচয়। ‘সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রচার মাধ্যমের গুরুত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে আলোচকরা আরো বলেন, মানবিকতা সম্পন্ন পরিপূর্ণ নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে সংস্কৃতি চর্চা যুক্ত করা জরুরি। বিগত ত্রিশবছর যাবত ‘সদারঙ্গ’ এই দায়িত্ব পালন করে আসছে পরম আন্তরিকতায়। তাদের কণ্টকাকীর্ণ পথে প্রচার–মাধ্যমের আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে জাতীর স্বার্থে।
গতকাল শুক্রবার থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের গ্যালারীতে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পণ্ডিত ড. স্বর্ণময় চক্রবর্তী। আলোচনা করেন কবি ও সাংবাদিক ওমর কায়সার, দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক এবং কবি রাশেদ রউফ ও দৈনিক পূর্বকোণের সহকারী সম্পাদক আবছার মাহফুজ। স্বাগত বক্তব্য দেন, সদারঙ্গের সম্পাদক সমীর চক্রবর্তী, আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তা জয়ন্তীর লোগো উন্মোচন করা হয়। এরপর সদারঙ্গের ত্রিশ বছরের পথ চলার স্মৃতি নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র। সর্বশেষ পরিবেশিত হয় শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান। এতে ভূপালী রাগে প্রথমে বিলম্বিত একতালে এবং পরে দ্রুত ত্রিতালে খেয়াল পরিবেশন করেন রাজশ্রী বিশ্বাস। সহযোগী ছিলেন তবলায় রাজিব চক্রবর্তী, হারমোনিয়ামে অর্পিতা দেবী দোলা এবং তানপুরায় মোহাম্মদ মীর এনায়েত উল্লাহ সানি। এদিনের সর্বশেষ পরিবেশনা শাস্ত্রীয় নৃত্য। এই পর্বে কত্থক নৃত্য পরিবেশন করেন অনুজা, দেবারতী সাহা, অপরাজিতা বড়ুয়া, সম্পূর্ণা ধর, অন্বেষা চক্রবর্তী, নবনীতা চক্রবর্তী ও অনিন্দিতা চৌধুরী। লিপু দাশের পরিচালনায় এদিনের আয়োজনে নগরীর বহু গণমাধ্যম সঙ্গীত সমঝদার উপস্থিত ছিলেন।
সদারঙ্গের সেমিনারে বক্তারা
সংস্কৃতি একটা জাতির আয়না ও সবচেয়ে বড় পরিচয়
অনলাইন ডেস্ক

