জেলা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ২৪ ঘণ্টা জরুরি প্রসূতি ও নবজাতক সেবা চালু করা হয়েছে।
দুর্গম পাহাড়ি এলাকার গর্ভবতী নারী ও নবজাতকদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে জেলা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবাগত চেয়ারম্যান মাম্যাচিং।
এ উপলক্ষে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বান্দরবান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক লেলিন তালুকদার।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লুসাই মং, সদস্য অ্যাডভোকেট উম্যাচিং, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. দিলীপ কুমার দেবনাথ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার বুলবুল আক্তার সেতু, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বান্দরবান কার্যালয়ের সাবেক উপপরিচালক ডা. অং চালু, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুল মনির রিবন, গ্রিন হিল রাঙামাটি কার্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক সাইলুমং, ইউএনএফপির প্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট সামসুজ্জানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আয়োজকেরা জানান, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)-এর সহযোগিতায় এবং গ্রিন হিলের বাস্তবায়নে এ সেবা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এর আওতায় এখন থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা জরুরি প্রসূতি ও নবজাতক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে প্রসবকালীন জটিলতা, জরুরি প্রসূতি সেবা এবং নবজাতকের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত নিশ্চিত করার মাধ্যমে মা ও শিশুর মৃত্যুঝুঁকি কমানো এ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার গর্ভবতী নারী ও নবজাতকদের সময়মতো জরুরি চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং ২৪ ঘণ্টা জরুরি প্রসূতি ও নবজাতক সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়ায় আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ বান্দরবানবাসীর স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
আগামীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করতে কাজ করা হবে।

