আব্দুল্লাহ শফিকের সেঞ্চুরি ও অধিনায়ক বাবর আজমের হাফ-সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৪৪ রানের জবাবে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ৬৬ ওভারে ২ উইকেটে ২৬৬ রান করেছে পাকিস্তান। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ৭৮ রানে পিছিয়ে সফরকারীরা। শফিক ১০৭ ও বাবর ৮৬ রানে অপরাজিত আছেন।
পোর্ট অব স্পেনে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ৭৪ ওভারে ৫ উইকেটে ২৩৯ রান তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জাস্টিন গ্রেভস ৬৪ ও অধিনায়ক রোস্টন চেজ ৩৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।
দ্বিতীয় দিন পাকিস্তান স্পিনার আলি উসমানের শিকার হয়ে ব্যক্তিগত ৭৩ রানে আউট হন গ্রেভস। ১৫০ বল খেলে ৯টি চার মারেন তিনি। ষষ্ঠ উইকেটে চেজের সাথে ১৮৯ বলে ৯৬ রান যোগ করেন গ্রেভস।
দলীয় ২৬৯ রানে গ্রেভস ফেরার পর টেস্ট ক্যারিয়ারের ১২তম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে দলের রান ৩শ পার করে থামেন চেজ। পাকিস্তান পেসার উবাইদ শাহর বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১২৬ বল খেলে ১১টি চারে ৭০ রান করেন তিনি।
সপ্তম ব্যাটার হিসেবে দলীয় ৩০৪ রানে চেজ ফেরার পর পাকিস্তান স্পিনার সাজিদ খানের ঘূর্ণিতে পড়ে বাকী ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৪৪ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রতিপক্ষের শেষ ৩ উইকেট নিয়ে ইনিংসে ৪ ব্যাটারকে শিকার করেন সাজিদ। ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ আলি-উবাইদ ও উসমান।
নিজেদের ইনিংস শুরু করে দলীয় ৩৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। ব্যক্তিগত ১৪ রানে ফেরেন পাকিস্তান ওপেনার ইমাম উল হক।
দ্বিতীয় উইকেটে ৬৪ রান যোগ করেন আরেক ওপেনার আজান আওয়াইস ও শফিক। টেস্টে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়ে ৫৫ রানে থামেন আজান।
৯৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর জুটি বাঁধেন শফিক ও বাবর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের দারুণভাবে সামাল দিয়ে দিন শেষে ২৭৪ বলে ১৬৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তারা। এরমধ্যে দুই বছর পর টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি করেন শফিক। ১০টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৮৫ বলে ১০৭ রানে অপরাজিত আছেন তিনি।
টেস্টে ৩৩তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়ে ১০ চার ও ১ ছক্কায় ১২৬ বলে ৮৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছেন বাবর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোমেল ওয়ারিকান ও শামার জোসেফ ১টি করে উইকেট নেন।

