সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোর বিস্ফোরণে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস কর্মী গাউছুল আজম (২৬) ও নুরুল কাদের (২২) নামে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১২ জুন) ভোর ৩টার দিকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান সার্ভিস কর্মী গাউছুল আজম। একই দিন নগরের বেসরকারি পার্কভিউ হাসপাতালের আইসিইউতে ৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর দুপুর ১টা ৫৭ মিনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ নুরুল কাদের (২২)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউল করিম। নুরুল কাদেরের বাড়ি বাঁশখালীর পূর্ব চেচুরিয়া গ্রামে।
গাউছুল আজম শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। নিহত গাউছুল আজমের গ্রামের বাড়ি যশোরের মনিরামপুরে। তার পাঁচ মাস বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এসএম আইউব হোসেন।
ডা. এসএম আইউব হোসেন জানান, গাউছুল আজমের শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। আগুন তার শ্বাসনালী পুড়ে যায়। গত ৫ জুন তাকে হেলিকপ্টারে করে গাউছুল আজমসহ সাত জনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে আইসিইউতে নেওয়া হলেও, অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, এ ঘটনায় মোট ২১ জন রোগী বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যার মধ্যে একজন মারা গেলেন।
সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনায় এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৮ জনে।
এর আগে ৪ জুন সীতাকুণ্ডের বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ১০ ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ এখন পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত দুই শতাধিক।

