চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির সুয়াবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতি এবং হক ফুডস প্রোডাক্টের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজকর্মী মুহাম্মদ এনামুল হক মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মুহাম্মদ এনামুল হক ফটিকছড়ির নাজিরহাট পৌরসভার পশ্চিম সুয়াবিল গ্রামের দায়েম উল্লাহ চৌধুরী বাড়ির প্রয়াত মুহাম্মদ সিরাজুল হকের দ্বিতীয় সন্তান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় নগরের শান্তিধারা আবাসিক এলাকার গৃহায়ণ জামে মসজিদে মুহাম্মদ এনামুল হকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির নাজিরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুয়াবিল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাঁকে দায়েম উল্লাহ চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
শিক্ষানুরাগী ও সমাজকর্মী মুহাম্মদ এনামুল হকের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মহল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শান্তিধারা আবাসিক এলাকা,পূর্ব নাসিরাবাদ মহল্লা কমিটি,হাসান সিরাজ ভবন ফ্ল্যাট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, রোটারি ক্লাব অব চিটাগং পোর্ট সিটি,রোটার্যেক্ট ক্লাব অব চিটাগং লেকসিটি, রোটারি ক্লাব অব চিটাগং সেন্ট্রালের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মীর নাজমুল আহসান রবিন, সংগীত পরিষদের সম্পাদক তাপস হোড়,সুয়াবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলী পরিষদ,দায়েম উল্লাহ চৌধুরী সমাজ কল্যাণ পরিষদ, গাউছিয়া হোছাইনিয়া আবদুল মালেক শাহ (রহ.) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং নাজিরহাট কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৮০ ব্যাচের বন্ধুরা তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
মুহাম্মদ এনামুল হকের পরিবার ও স্বজনরা তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ফটিকছড়ির সমাজকর্মী এনামুল হকের জীবনাবসান, এলাকায় শোকের ছায়া
অনলাইন ডেস্ক

