উই রিভোল্ট -মেজর জিয়া” ফলক স্থাপন অনুষ্ঠানে একরামুল করিম চৌধুরী বলেন- একজন মেজর জিয়া সেদিন মৃত্যু ভয়কে জয় করে বিদ্রোহ করে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই আজ আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি| ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র দেশবাসীর উপর নৃশংস ও বর্বর হামলায় ঝাঁপিয়ে পড়লে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ২ নাম্বার গেইট মোড়ে তৎকালীন মেজর জিয়া “উই রিভোল্ট” বলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং এরই ধারাবাহিকতায় মেজর জিয়া কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক বিদ্রোহ করার স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানকে দেশ-জাতি ও জনগণের মনের মণিকোঠায় পুনরায় তুলে ধরার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি কর্তৃপক্ষ “উই রিভোল্ট -মেজর জিয়া” ফলক স্থাপন করে ঐতিহাসিক ইতিহাসকে প্রজন্মের কাছে আবারও তুলে ধরার এ প্রয়াসকে আমি সাধুবাদ জানাই। মেজর জিয়ার ডাকে সেদিন আমরা দুই নম্বর রেল গেইটে ট্রেনের বগি উল্টিয়ে ফেলে পাকিস্তানি আর্মিদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছিলাম।
২৫ মার্চ সকাল ১১ ঘটিকায় নাসিরাবাদ ২ নং গেইট মোড়ে “উই রিভোল্ট” ফলক স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে উপরোক্ত কথা বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা একরামুল করিম চৌধুরী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহবায়ক সাহাব উদ্দীন হাসান বাবুর সভাপতিত্বে ও উত্তর জেলা কমিটির আহবায়ক রাশেদ ইবনে ফরিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম পলি টেকনিক্যাল ছাত্র সংসদের সাবেক নির্বাচিত ভিপি আরিফুজ্জামান, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার সদস্য সচিব আলহাজ্ব মোহাং বেলাল মিয়া, মহানগর যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি নাছির উদ্দীন নাসিম, বিএনপি নেতা এসএম আজাদ, প্রজন্ম নেতা জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আলমগীর, মোঃ ইসমাইল হোসেন নিশান, গোলাম মোস্তফা, মেহেদী ইসলাম, জাকারিয়া সোহেল, রুমেল, রফিকুল মোস্তফা তীতু, মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন, মোঃ মহসিন, মোঃ শফিক, মোহাম্মদ ইউনুস, মোহাম্মদ রাজ্জাক, মোহাম্মদ আক্তার প্রমুখ। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি সহ অন্যান্যরা উই রিভোল্ট ফলকটি জনসাধারণের স্থাপন করা হয়।
