রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ পশ্চিম সীমানা কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তি বেতাগী ইউনিয়নে দুইটি সেচ প্রকল্প গত ২০২৪ সালের প্রথম থেকে কাজ শুরু করলেও দুই বছর পারে ও চালু করতে পারেনি বি এ ডি সি, যার কারনে বেতাগী মধ্য উত্তর বিল ও বেতাগী চৌধুরী বিলের শত শত হেক্টর চাষাবাদ যগ্য জমি গত দের যুগ ধরে পানির অভাবে চাষাবাদ করতে পারছেনা কৃষকরা।যার কারণে এই এলাকায় হাজার হাজার কৃষকরা চরম ভাবে হতাশ হয়ে পড়েছে।
জানা যায়, ২০২০ সাল থেকে এই জমি গুলো পানির মাধ্যমে চাষের আওতায় আনতে বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা চালান হাজি মমতাজুল হক,তিনি বলেন চার বছর পরে গিয়ে ২০২৪ শে অনেকটা অগ্রগতি হলেও ফ্যাসিস্টের দোসর বি এ ডি সির কর্মকর্তাদের ব্যপক অবহেলা ও দুর্নীতির কারণে এখনো চাষাবাদ করতে পারছেনা এই এলাকার শত শত কৃষক । অপর দিকে চৌধুরী বিলের জন্য প্রচেষ্টাকারি নেচার আহমেদ চৌধুরী গত বছর মারা গেলে এই প্রকল্পের অগ্রগতি বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে মধ্য বেতাগী এলাকার শত শত হেক্টর জমি বছরের পর বছর অনাবাদি পড়ে থাকলেও রাঙ্গুনিয়া কৃষি কর্মকর্তারা কুম্ভকর্ণের মত থাকায় গত দুই বছরের ও বেশি সময় ধরে পানি বিহীন অবস্থায় রয়েছে । হাজী মমতাজ মিয়া বলেন অনেক চেষ্টার ফলে গত ২৪ সালে বি এ ডি সি এই জমিতে পানির ব্যবস্থার অনুমোদন দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নয় ছয়ের কারণে দুই বছর পার হলেও পানির ব্যবস্থা এখনো হয় নি তা নিয়ে এলাকার কৃষকদের মাঝে খোভের সঞ্চার হচ্ছে । চৌধুরী বিলে সোলার বিদ্যুৎ এর মাধ্যমে সেচ প্রকল্প চালু করার অনেক দুর এগিয়ে গেলেও বি এ ডি সির কর্মকর্তাদের অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার কারণেই এখনো পযর্ন্ত সেচ প্রকল্প চালু হয়নি এই নিয়ে কৃষকদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে ।
এই নিয়ে অপর এক কৃষক জাহাঙ্গীর বলেন, সরকার অনাবাদি জমি চষে নানা সুযোগ সুবিধা দিলেও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা যোগসাযসে নুন্যতম কিছু কিছু এলাকার চাষাবাদ কে ব্যপকতর দেখিয়ে কৃষকদের নানা সুযোগ সুবিধা হরণ করছে । উপজেলা বিভিন্ন এলাকার কৃষরা কখনো দেখা পাইনা মাঠ পর্যায়ে থাকা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের এঈ নিয়ে কৃষকদের মাঝে চাপা খোপ বিরাজ করছে। এই নিয়ে বি এ ডি সি চট্টগ্রাম প্রকৌশলীর তমাল দাশ বলেছিলেন ২০২৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে প্রকল্প গুলো চালু করা হবে, ২০২৬ এ দুই পর হলেও কোন রকম অগ্রগতি না হওয়ায় আগামীতেও প্রকল্প চালু হবে কিন এই অনিশ্চয়তা ভুগছেন হাজার হাজার কৃষক।

