সত্য ও বন্তু নিষ্ট সাংবাদিকতার ও সংবাদপত্রের কন্ঠরোধের চেষ্টা চলছে সব সরকারের আমলে। সাংবাদিকরা হামলা -মামলার শিকার হযেছে। অঙ্গহানী হয়েছে এবং অনেকে প্রাণও হারিয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকদের নির্ভীক লেখনিতে ও প্রতিবাদের মুখে শাসক গোষ্টি বার বার পরাজিত হয়েছে। কেউ জেলবন্দি হযয়ছে, কেউ পালিয়ে গেছে। তাই সাংবাদিক ও সংবাদপত্রকে নির্ভীক সাহসিকতায় লেখনী চালিযে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। আজ শুক্রবার সকালে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে খাগড়াছড়ির কারা নির্যাতিত সাংবাদিক নেতা ও খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরীর সংবর্ধনা অনুষ্টানে উল্লেখিত মন্তব্য করেন সাংবাদিক নেতারা। ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আহমদ আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোলাইমান আকাশের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ সভাপতি এস এম আক্কাছ উদ্দীন, এনামুল হক, সালাউদ্দীন জিকু, ওবায়দুল আকবর রুবেল, ইউসুফ আরফাত, কামরুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ।
বক্তারা আরো বলেন, সাংবাদিক প্রদীপ চৌধুরীকে মিথ্যা মামলা দেয়ার পিছনে রাজনৈতিক নেতা ও কতিপয় সাংবাদিক নেতাদের ভূমিকা রহস্যময়। তাকে শুধু কারাবন্ধী করেনি, সে জেলে থাকার সময়ের ঘটনায়ও তাকে আসামী করা হয়েছে। একজন সাংবাদিক নেতাকে কতটুকু ভয় পেলে এমন জগন্যতম কাজ করতে পারে জাতি জানতে চায়। তারা অবিলম্বে তার সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন।
কারামুক্ত সাংবাদিক প্রদীপ চৌধুরী বলেন, সৎ সাংবাদিকতার বলি হয়েছিলাম ১৯৯৮-৯৯ সালে ফটিকছড়িতে। তারপর পার্বত্য খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকতার পথ প্রসস্থ করি। সেখানেও বলি হয়েছি ২০২৪ সালে। দীর্ঘ নয় মাস কারা ভোগ আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আমাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ এবং সৎ সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা থেকে বিচ্ছুত করতে পারেনি। আমার জন্য সারা দেশের সাংবাদিক সমাজ যে হৃদ্যতা দেখিয়েছে, সেটা আমি আজীবন অবলম্বন করে রাখবো।

