চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কদমরসুল এলাকায় বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় বেড়েই চলেছে। দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর পাশাপাশি এখন এই অগ্নিকান্ডকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করছে। এর মধ্যেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মীসহ মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ জনে। দগ্ধ হয়েছেন চার’শ এরও অধিক। আল-জাজিরা, বিবিসি, ওয়াশিংটন পোস্ট, এনডিটিভি, ডয়চে ভেলেসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরেছে ঘটনাটি।
শনিবার (৪ জুন) রাত ৮টার দিকে বিএম কন্টেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কন্টেইনার থেকে অন্য কন্টেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। রাসায়নিক থাকায় একটি কন্টেইনারে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। একের পর এক মরদেহ এসে জমা হচ্ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে। নিহতদের মধ্যে আটজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী রয়েছেন। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ২০ জনসহ দুই শতাধিক লোক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে।
আল-জাজিরা ও বিবিসির খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর চট্টগ্রাম থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরের একটি কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লেগেছে। এতে দগ্ধ ও নিহতদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের একটি বন্দর শহরের কাছে কন্টেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বহু প্রাণহানি হয়েছে। আগুন নেভাতে হিমশিম খাচ্ছে দমকল বাহিনী।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানায়, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লেগে এতে বহু প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান বিএম কন্টেইনার ডিপোতে রাসায়নিক কেমিক্যালে বিস্ফোরণে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ার শঙ্কা প্রকাশ করছে।
এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ভয়াবহ এই অগ্নিকান্ডে আগুন নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীসহ একযোগে কাজ করছে।

