ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে চেলসি কোচ টমাস টুখেল বলেছিলেন,অসাধ্য সাধন করতে ভিন্ন চিত্রনাট্য লাগবে।তাঁর শিষ্যরা সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের ৮০ মিনিট পর্যন্ত বসের সেই ভিন্ন চিত্রনাট্যই মঞ্চায়ন করেছিলেন।বিশ্বের ফুটবল ভক্তরা যখন আরেকটি প্রত্যাবর্তনের ইতিহাসের সাক্ষী হতে নড়েচড়ে বসছেন ঠিক তখনই নিয়তি স্বরুপে আবির্ভূত হলো। ১৫ মিনিটে মন্ত,৫১মিনিটে রুগার আর ৭৫ মিনিটে ওয়ার্নারের গোলে ৩-০ তে এগিয়ে থাকা চেলসির পথে কাঁটা বিছানো গোল করে বসলেন রদ্রিগো ম্যাচের ৮০ মিনিটের সময়। দুই লেগ মিলিয়ে তখন ৪-৪ গোলের সমতা। ঐ স্কোরেই শেষ হলো নির্ধারিত সময়ের খেলা। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলা শুরু হতেই ৯৬ মিনিটে করিম বেনজেমার জাদুকরী গোল। তারপর বাকি ২৪+৩ মিনিট চেলসির মূহুর্মূহু আক্রমন আর রিয়াল মাদ্রিদ ডিফেন্স ও গোলরক্ষকের প্রতিরোধের গল্প।শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতেও গোল ব্যবধানে হেরেও উল্লাসে ফেটে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ, পক্ষান্তরে জিতেও শ্মশানের নীরবতা চেলসি শিবিরে। ওদিকে রাতের অপর ম্যাচে বায়ার্নের মাঠে ৮৮ মিনিট পর্যন্ত ০-১ গোলে পিছিয়ে থাকা হলুদ সাবমেরিন খ্যাত ভিলারিয়ালের স্যামুয়েল চুকুয়েজি কাউন্টার এটাক থেকে দর্শনীয় গোল করে পুরো গ্যালারীকে স্তব্ধ করে নয়া ইতিহাস সৃষ্টি করে প্রথম বারের মতো ভিলারিয়ালকে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনালে তুলে দেবার বাঁধভাঙা উৎসবে মেতে ওঠে।
