প্রথমবারের মত নিজেদের উৎপাদিত প্লাস্টিক রিসাইক্লিং পণ্য বিক্রি করল রাউজান পৌরসভা। ২৪ মার্চ সকাল ১১ টায় রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল এলাকায় স্থাপিত রাউজান পৌরসভার প্লাস্টিক রিসাইক্লিং প্লান্ট হতে উৎপাদিত ১০ টন প্লাস্টিক পণ্য (দানা ও চিপস) বিক্রয় করা হয়। হাটহাজারী উপজেলার চৌধুরীহাট এলাকার ‘ত্রি স্টার’ নামক কোম্পানি এসব পন্য ক্রয় করেন। উল্লেখ্য, রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশে প্লাস্টিকের বর্জ্যমুক্ত ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাউজান পৌরসভা গঠনের লক্ষ্য বিগত তিন বছর ধরে পৌর নাগরিক, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ বর্জ্য সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে প্রতি বস্তা একশত টাকা করে অপচনশীল প্লাস্টিক জাতীয় আবর্জনা কিনে নেন।
এইসব আবর্জনা রিসাইক্লিং করার লক্ষ্য পৌরসভার চারাবটতল এলাকায় স্থাপন করা হয় ‘রাউজান পৌরসভার প্লাস্টিক রিসাইক্লিং প্লান্ট’। এই প্লান্ট হতে ৯ ধরণের পন্য উৎপাদন করা হয়। এই পর্যন্ত এই প্লান্ট হতে প্রায় ১৫ টন পণ্য ( প্লাস্টিক দানা ও চিপস) উৎপাদন করা হয়। যার উৎপাদন প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। রবিবার সকালে এই উৎপাদিত পন্য হতে ১ম ধাপে ১০ টন (৩২৩ বস্তা) পন্য বিক্রয় করা হয়। রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ বলেন, রাউজানের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর পরিকল্পনায় রাউজান পৌরসভার মাটি, পানি সর্বোপরি পরিবেশ দূষণ রোধে আমরা কাজ করছি। আমরা প্লাস্টিকমুক্ত, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন একটি আধুনিক পৌরসভা গঠনে কাজ করছি। ইতোমধ্যে আমাদের সংগৃহীত প্লাস্টিক জাতীয় আবর্জনা রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে উৎপাদিত পন্য ১ম ধাপে ১০ টন বিক্রি করেছি। যার মূল্য প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। তিনি আরো জানান, ইতোমধ্যে রাউজান পৌরসভার আবর্জনা সংগ্রহ ও রিসাইকলিং পদ্ধতি সারা দেশে অনুসরণ করার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় হতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এবং দেশের প্রথম কোন পৌরসভা হিসেবে পেয়েছি আইএসও সনদ। আমরা এই অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য উৎসর্গ করছি। তাদের একটি দূষণমুক্ত পরিবেশ উপহার দিতে চাই

