চট্টগ্রামের অন্যতম শস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত রাঙ্গুনিয়া উপজেলা বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও ঘুমার বিলে চলতি মৌসুমে ৮৩৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্য নিয়ে কৃষকরা ইতিমধ্যে বীজ তলা তৈরি সম্পন্ন করে বোরো ধান রোপন শুরু করে দিয়েছেন । পৌষের প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে দিনের পুরোটা সময় পার করছেন কৃষকরা মাঠে।
ইতিমধ্যে শতভাগ বীজ তলা সম্পন্ন করে বোরো ধান রোপনের কাজে জমি তৈরির পাশাপাশি চারাগাছ রোপণের কাজে ব্যস্ত হয়ে পরেছেন। জানা যায় গত আমন মৌসুমে প্রাকৃতিক আবাহাওয়া কৃষকদের অনুকুলে না থাকাই ধানে রোগ বালায় বেশি হওয়ায় আশানুরুপ ধান কাটাতে পারেনি । এবার বোরো মৌসুমে তাপুশিয়ে উঠার আশায় এবার মাঠে নেমেছে কৃষক । উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস বলেন গত আমন মৌসুমে ঘুমার বিলে ৩ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে গড়ে সাড়ে ৫ টন ধান পেয়েছে কৃষকরা তা বিক্রি করে পুশিয়ে উটলেও এবার অন্যান্য এলাকা ছাড়া ও ঘুমাই বিলে ৮৩৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদের লক্ষ্য মাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে । চলতি মৌসুমে আবাদকৃত জাতের মদ্যে রয়েছে ব্রীধান ৮৮,৮৯,৯২, ১০০ (বঙ্গবন্ধু ) ব্রীধান ৭৪, হীরা ১,২, তেজগোল্ড সুরভী ১, সিনজেন্টা ১২০২ ও ১২০৫ জাত এবং কৃষিবিদ হাইব্রিড ধান ১,ও২, এস এল এইট এবং এইট সুপার স্বর্ণা গোল্ড এসি আই ২, মাহিকো ১ । এছাড়াও স্থানিয় উন্নত জাতের ধান সহ কাটারি ও রয়েছে । ইতিমধ্যে এসব ধন রোপনের কার্যক্রম শুরু হয়েগেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান কৃষকদের উৎসাহ করতে ইতিমধ্যে ভালো বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে । এছাড়াও কৃষকদের নানাভাবে সহায়তা করতে মাঠে কৃষি কর্মকতা মাঠে রয়েছে ।
বেতাগী ইউনিয়নে একাধিক কৃষকের অভিযোগ এই ইউনিয়নের কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে পাওয়া যায় না ফলে গত আমন ধানে পোকামাকড় দমনে তারা সঠিক পরামর্শ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এতে বেশ কৃষক ক্ষথিগ্রন্থ হয়েছে ।কৃষক ফরিদ আহমদ বলেন মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি তেমন ষচোখে পরেনা বললেই চলে। অনেক কৃষক কর্মকর্তাদের চিনেন না এই ব্যপারে মাঠ পর্যায়ে থাকা কর্মকর্তারা বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের সাথে মিলিত হওয়াও কথা বলেন ।
