গত চব্বিশ ঘন্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ১৭৬ জন সাধারণ মানুষ মারা গেছে।মৃতের সংখ্যা ২৫ হাজার ছুঁয়ে গেছে।যাঁর মধ্যে সাড়ে ষোল হাজারই নারী ও শিশু। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে,গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ১৭৬ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২৮০ জন আহত হয়েছে।এতে ৭ অক্টোবর থেকে চলমান এ সংঘাতে ফিলিস্তিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৯৮৭ জনে।পাশাপাশি এ সময় আহত হয়েছে আরো ৬২ হাজার ৩৮৮ জন।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে,অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকে আছে। কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছতে পারছেন না। রয়টার্সের খবরে বলা হয়,ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ১৯ জানুয়ারী শুক্রবার খান ইউনিসের পূর্ব ও দক্ষিণে বনি সুহাইলা,আল-জানা,আবাসান এবং বাতন আল-সামিন এলাকায় তীব্র হামলা চালায়।উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শহরে অনেক ক্ষেপণাস্ত্রসহ গোলাবর্ষণ করে। এদিকে জাতিসংঘের মতে,গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা ইসরায়েলি আক্রমণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।তাদের সবাই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় ছাড়াই বসবাস করছে।জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিবিসি নিউজ-কে এ বিষয়ে তার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।তার মতে,গাজা যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে তরুণদের একটি ‘প্রজন্ম’ হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইউনাইটেড ন্যাশনস অফিস ফর দ্য কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স’ (ওচা) যুদ্ধের প্রভাবের ওপর নিয়মিত বুলেটিন প্রকাশ করে।সংস্থাটির সর্বশেষ তথ্যানুসারে,গাজার অন্তত ৬০ শতাংশ বাড়ি বা আবাসন ইউনিট ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে আল-জাজিরা জানিয়েছে,ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ‘প্রতি ঘণ্টায় দুজন মাকে হত্যা’ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ নারী সংস্থা।শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সিমা বাহাউস।তিনি বলেন,গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের প্রধান শিকার নারী ও শিশুরা। সূত্র:- বিবিসি,রয়টার্স ও আল-জাজিরা।
