বিএনপি-জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধে চট্টগ্রামে বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসময় তারা ভাঙচুর করেছে টেম্পো। তবে স্বাভাবিক রয়েছে যান চলাচল। গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা কম থাকলেও রিক্সা এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে বেশি। স্বাভাবিক রয়েছে ট্রেন চলাচলও। তবে দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (৮ নভেম্বর) সকালে নগরীর পাহাড়তলী পুলিশ বিট-রেলগেইট এলাকার সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিএনপি নেতাকর্মীদের। একইভাবে বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় মিছিল করেছে যুবদল, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
পুলিশ জানায়, সকাল ৭ টার দিকে টাইগারপাস থেকে পাহাড়তলী যাওয়ার পথে যাত্রীবাহী একটি টেম্পোতে পাথর ছুঁড়ে মারা হয়। এতে টেম্পোর সামনের কাচ ভেঙে যায়। পরে সড়কে টায়ার জ্বালানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই অবরোধকারীরা পালিয়ে যায়।
নগর বিএনপির সাবেক উপ দপ্তর সম্পাদক ও বর্তমানে দপ্তরের সমন্বয়ক মো. ইদ্রিস আলী জানান, টানা ৪৮ ঘণ্টা সর্বাত্মক অবরোধের প্রথম দিনে পাহাড়তলী পুলিশ বিট রেলগেইট এলাকায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সাইফুল আলম ও মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি ফজলুল হক সুমনের নেতৃত্বে যুবদল, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা মিছিল ও টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করেছে। এছাড়া অবরোধের সমর্থনে নগরের পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকায় সকালে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলমের নেতৃত্বে মিছিলে নেতা-কর্মীরা যোগ দেন। ডবলমুরিং, বাকলিয়া এলাকায়ও ঝটিকা মিছিল করেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।
সিএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার (দক্ষিণ) নোবেল চাকমা বলেন, নগরীর দক্ষিণ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ মোতায়েন আছে। পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এখানে সকাল থেকে কোন পিকেটিংয়ের খবর পাওয়া যায়নি। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে।

