স্থিতিশীল নগর অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ও পুররুদ্বারে টেকসই নগরসমুহই চালিকাশক্তি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে পালিত হয়েছে বিশ্ব বসতি দিবস। এ উপলক্ষে সোমবার (২ অক্টোবর) বিকাল ৩ টায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষের উদ্যোগে চউক কনফারেন্স হলে টেকসই বাংলাদেশ নির্মানে ভুমিকা অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সকাল ১০ টায় চউক কর্মকর্তা কর্মচারীদের অংশ গ্রহনে এক র্যালী বাহির বাহির করা হয়। চ
ট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষের সচীব মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন গৃহায়ন ও গণফূর্ত বিভাগ চট্টগ্রামের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের, পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রিয়াজ উদ্দীন, সিডিএ বোর্ড মেম্বার আলীশাহ, রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওয়ন এর কো- চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুর রহমান, প্রকৌশলী দিদারুল হক ও সিডিএ এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, আবাসন মানুষের অন্যতম একটি মৌলিক চাহিদা। নিরাপদ ও বাসযোগ্য একটি দেশ গঠনে পরিকল্পিত নগরায়নের বিকল্প নেই। আর্থ-সামাজিক খাত, জনসংখ্যার চাপ, জমির অপ্রতুলতা, নগরায়ন ও শিল্পায়ন সবকিছু বিবেচনায় এনে শহর-গ্রামে প্রতিটি জনবসতিতেই এখন পরিকল্পিত আবাসন জরুরি। তারা আরো বলেন, বাংলাদেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে চলছে। নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন-যাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে সরকার নানামুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বক্তারা বলেন ৪ হাজার বছর আগে থেকেই চট্টগ্রামে মানুষ বসবাস শুরু করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বণিকরা চট্টগ্রামে এসে ব্যবসা শুরু করেন। এ কারনে চট্টগ্রাম বিশ্বের কাছে পরিচিত। এর পর থেকেই কর্ণফুলী নদীর তীরের এই বন্দর নগরী চট্টগ্রাম বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে উঠে। বিশ্ব এখন চট্টগ্রামকে নিয়ে ভাবেন। বাংলাদেশ চট্টগ্রামকে নিয়ে উন্নয়নের চিন্তা করেন। তাই আমাদের সকলের উচিৎ চট্টগ্রাম কে নিরাপদ বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা।

