আট মাস ধরে বন্ধ থাকা চট্টগ্রাম মহানগরীর মুরাদপুর কালভার্টটি অবশেষে পূর্ণাঙ্গভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার বিকালে সিডিএ চেয়ারম্যান এম জহিারুল আলম দোভাষ কালভার্টটি উদ্বোধন করেন। এরপর যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি মহানগরীর মুরাদপুর মোড়ে চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কালভার্টটি ভাঙা হয়। পরে কালভার্টটি নতুন করে নির্মাণের জন্য বন্ধ করা হয়। এতে চট্টগ্রাম মহানগরীর মুরাদপুর থেকে অক্সিজেনগামী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় ও পথচারীরা।
তবে শনিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্মিত কালভার্ট খুলে দেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ। উদ্বোধনের পর থেকে মুরাদপুর-অক্সিজেন সড়ক পুরোদমে চলতে থাকে যানবাহন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, কালভার্টটি নির্মাণে খরচ হয়েছে সাড়ে ৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩ কোটি টাকা মূল ব্রিজ নির্মাণ এবং বাকি দেড় কোটি টাকা খরচ পাইপলাইন সরাতে। কালভার্টটির দৈর্ঘ্য ২১ মিটার এবং প্রস্থ ১০ মিটার। পথচারী চলাচলে কয়েকদিনের মধ্যে কালভার্টটিতে ফুটপাত করে দেওয়া হবে।
জানা গেছে, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নতুন কালভার্টটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। এর আরো এক মাস পর ২৫ জুন কালভার্টটির আংশিক খুলে দেওয়া হয় যান চলাচলের জন্য। ঈদুল আজহার পর সেটা আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয়, যা বুধবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। সর্বশেষ শনিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো।
আতুরার ডিপু এলাকার এক স্থানীয় ব্যক্তি মোহাম্মদ বায়েজিদ বলেন, ‘মহানগরীর ব্যস্ততম এই সড়ক দিয়ে আক্সিজেন হয়ে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি জেলা ছাড়াও উত্তর চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি উপজেলার বাসিন্দারা চলাচল করেন। দীর্ঘদিন এই সড়কটি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন অন্তত লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হতো। অবশেষে দীর্ঘ আট মাস পর এই ভোগান্তির অবসান হলো।’

